২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ডাকের ভদ্রের বিরুদ্ধে আত্মসাতের আরেক মামলা

‘অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে’ ৯১ কোটি ৯৪ লাখ ৬ হাজার ৪৬৫ টাকা ‘আত্মসাৎ’ করার অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ডাকের ভদ্রের বিরুদ্ধে আত্মসাতের আরেক মামলা
সুধাংশু শেখর ভদ্র

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Jan 2025, 08:19 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:16 AM

ডাক অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) সুধাংশু শেখর ভদ্রের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজিল হাসান বৃহস্পতিবার ঢাকায় এ মামলা দায়ের করেন। 

সুধাংশু পোস্ট ই-সেন্টার ফর রুরাল কমিউনিটি প্রকল্পের পরিচালক থাকাকালে ‘অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে’ ৯১ কোটি ৯৪ লাখ ৬ হাজার ৪৬৫ টাকা ‘আত্মসাৎ’ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে এজাহারে।

সেখানে বলা হয়েছে, আসামী সুধাংশু শখর ভদ্র ‘শর্ত ভঙ্গ করে’ প্রকল্পের জন্য ইউপিএস সহ কয়েকহাজার যন্ত্রপাতি কেনেন। সেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।”

এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রকল্পের ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সুধাংশু শেখর ভদ্র ও ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মোস্তাক আহমেদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছিল দুদক।

দুর্নীতি ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সুধাংশু শেখর ভদ্রকে ২০২০ সালে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল।

সাবেক এমপি সোলায়মান হক জোয়াদ্দারের বিরুদ্ধে মামলা

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়াদ্দার (ছেলুন) ও তার স্ত্রী আকতারী জোয়াদ্দারের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছে দুদক। 

বৃহস্পতিবার মামলা দুটি দায়ের করা হয় বলে দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের জানান।  

ডাকের সাবেক ডিজি সুধাংশুর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

প্রথম মামলার এজাহারে বলা হয়, চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সোলায়মান হক ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে’ জ্ঞাত আয়ের বাইরে ৭ কোটি ৫৫ লাখ ৫২ হাজার ৭৯১ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।  এছাড়া ১৫ কোটি ৭১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৫৮ টাকা ব্যাংক হিসাবের মাধ্য ‘স্থানান্তর, হস্তান্তর করে  ও বিভিন্ন ব্যাবসায় বিনিয়োগের নামে রূপান্তর করে মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ’ করেছেন।

দ্বিতীয় মামলায় সোলায়মান হক জোয়াদ্দারের সঙ্গে তার স্ত্রী আকতারী জোয়াদ্দারও আসামি। 

এজাহারে বলা হয়েছে, আকতারী তার স্বামীর সহায়তায় দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪৯ হাজার টাকার ‘জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ’ অর্জন করেছেন। এছাড়া ৭ কোটি ৬০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ‘স্থানান্তর, হস্তান্তর করে ও বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে রূপান্তর করে মানিলন্ডারিং’ করেছেন।