১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাবাকে হত্যা: মেয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

আদালত ২৫ অক্টোবর শুনানির পরবর্তী দিন দিয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 16 Sep 2026, 02:05 PM

Updated : 16 Sep 2026, 02:05 PM

বছর দেড়েক আগে সাভারে ছুরিকাঘাতে বাবাকে খুনের মামলায় মেয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়েছে।

ঢাকার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সরওয়ার আলমের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল বুধবার।

তবে এদিন মেয়েকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এজন্য আদালত ২৫ অক্টোবর শুনানির পরবর্তী দিন দিয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. হাসান আলী এ তথ্য দেন।

২০২৫ সালের ৮ মে সাভারে ছুরিকাঘাতে ওই ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় তার মেয়ের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে, যিনি এখন কারাগারে রয়েছেন।

হত্যার দিনই নিহতের প্রথম পক্ষের ছেলে সাভার মডেল থানায় তার সৎ এক বোনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর আদালতে ওই মেয়ে ‘স্বীকারোক্তিমূলক’ জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ইমরান হোসেন বলেন, তদন্তের সময় মেয়ে অভিযোগ করেছেন তার বাবা তাকে ‘যৌন হয়রানি’ করতেন। সেটিই হত্যার মূল প্রেক্ষাপট হিসেবে উঠে এসেছে।

মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৯ নভেম্বর সাভার মডেল থানার এসআই ইমরান হোসেন মেয়েকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

পরে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালত হয়ে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য পাঠানো হয়। গত ২ আগস্ট অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও আসামিপক্ষ নতুন ওকালতনামা দাখিল করায় তা হয়নি। বুধবার এ বিষয়ে পুনরায় শুনানি হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “এটি একটি আলোচিত মামলা। রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠনের জন্য প্রস্তুত। অভিযোগ গঠন হলে দ্রুত সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচার শেষ করার চেষ্টা করব।”

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, মেয়ের দাবি অনুযায়ী বাবা তাকে ‘ধর্ষণ করে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন’–এমন অভিযোগের সত্যতা তদন্তে পাওয়া যায়নি।

জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “ওর বাবা ওকে ডিস্টার্ব করতো, যৌন হয়রানি করত। খুনের প্রধান কারণ এটায়।"

পরে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালত হয়ে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য পাঠানো হয়।