আনিসুল হকের অস্ত্র মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
ঢাকার বনানী থানার অস্ত্র আইনের মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের পিছিয়ে আগামী ২৬ অক্টোবর রেখেছে আদালত।
ঢাকার চতুর্থ বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার ছুটিতে রয়েছেন। এজন্য ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি পিছিয়ে ওই দিন রাখেন বলেন জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী।
এদিন আনিসুল হককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
এর আগে গত ২৩ অগাস্ট অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও আসামিপক্ষের সময় চেয়ে আবেদন করার পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর দিন রাখা হয়েছিল।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়, বনানী থানার অধীনে আনিসুল হক একটি বৈধ পিস্তলের মালিক। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট পর্যন্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য দেওয়া সব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।
কিন্তু আনিসুল হক ২০২৫ সালের ৫ মে পর্যন্ত তার অস্ত্রটি থানায় জমা দেননি বা থানাকে অবহিতও করেননি। তার ঠিকানায় গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং অস্ত্র জমা সম্পর্কে কোনো তথ্য মেলেনি। তিনি গুলি কিনেছেন, এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি।
ফলে তিনি ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(১) ধারায় অপরাধ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আট দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ১৩ অগাস্ট রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর বিভিন্ন হত্যা, হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গত বছরের ২৪ মে বনানী থানায় অস্ত্র মামলাটি করেন এসআই জানে আলম দুলাল। তদন্ত শেষে আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে বনানী থানা পুলিশ।
