ঢাকার পথে পথে বিক্ষোভ, যাত্রী না পৌঁছায় ফ্লাইট ছাড়তে দেরি
যাত্রীদের কথা বিবেচনায় রেখে দুইটি ফ্লাইটের সময় পিছিয়ে দেয় বিমান বাংলাদেশ
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোটা আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে আকাশপথের ভ্রমণেও।
মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধের কারণে অনেক যাত্রী নির্ধারিত ফ্লাইট ধরতে পারেননি। যাত্রীরা সময়মত না পৌঁছায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের কয়েকটি ফ্লাইট ছেড়েছে দেরিতে।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সকালে বেশ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। সেসব সড়কে বিদেশগামী যাত্রীদের বিমানবন্দরে আনতে এপিবিএন, ডিএমপির ট্রাফিক উত্তর বিভাগ, অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে।
“কাওলা সড়ক বর্তমানে খোলা রয়েছে। এই সড়ক দিয়ে বিমানবন্দরের যাত্রীরা আসা-যাওয়া করছেন।”
মঙ্গলবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা মহাখালী, বনানী, উত্তরা, কুড়িল বিশ্বরোড, নদ্দা, বাড্ডাসহ বেশ কয়েকটি সড়ক বন্ধ করে আন্দোলন করায় সময়মতো বিমানবন্দরে যেতে পারেননি অনেক যাত্রী।
যাত্রীদের কথা বিবেচনায় রেখে দুইটি ফ্লাইটের সময় পিছিয়ে দেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম জানান, অনেকেই বিমানবন্দরে পৌঁছাতে না পারায় ঢাকা থেকে সৌদি আরবের দাম্মাম রুটের ৩টার ফ্লাইট ৩০ মিনিট বিলম্বে ছেড়েছে।
এছাড়া, দুপুর ২টা ৫ মিনিটের ঢাকা থেকে জেদ্দা রুটের ফ্লাইটটি প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরিতে ৪টা ৩৪ মিনিটে ছেড়েছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের ১০ থেক ১৫ শতাংশ ফ্লাইট বিলম্বে ছেড়েছে। তবে, বিলম্ব হলেও কোনো ফ্লাইট বাতিল হয়নি।”
আরেক বেসরকারি এয়ারলাইন্স এয়ার অ্যাস্ট্রার জনসংযোগ শাখার উপ-ব্যবস্থাপক সাকিব হাসান শুভ বলেন, “আমাদেরও প্রায় একইরকম বিলম্বে ছেড়েছে। সেসব যাত্রীরা লেট করেছেন, তাদের জন্য কোনো চার্জ ছাড়াই অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
