Published : 21 Jan 2026, 07:48 PM
২৯তম বিসিএসে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর সেই কোটায় প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে ছয় প্রার্থীকে নিয়োগের তথ্য পেয়েছে দুদক।
‘ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারাণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে’ এসব নিয়োগের অভিযোগে ২১ জনের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বুধবার মামলা অনুমোদনের সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে বলেন, অনুসন্ধান দলের সদস্য হিসেবে দুদকের উপপরিচালক ও দলনেতা আজিজুল হক এবং উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু মামলাগুলো করবেন।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা সনদ না থাকা সত্ত্বেও প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ২৯তম বিসিএসের ফল প্রকাশের কয়েক মাস পর ছয়জন প্রার্থীকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অন্তর্ভুক্ত করে বিভিন্ন ক্যাডার পদে সুপারিশ ও নিয়োগ দেওয়া হয়।
দুদকের অনুমোদন করা মামলাগুলোতে পিএসসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা আসামি হচ্ছেন।
তাদের মধ্যে রয়েছেন- পিএসসির সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামান, আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, অধ্যাপক ফরিদা আদিব খানম এবং মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান। পিএসসির সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান ও সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছার উদ্দিনও রয়েছেন আসামি তালিকায়।
আসামিদের তালিকায় থাকা মো. লোকমান আহমদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ে উপসচিবের দায়িত্বে রয়েছেন।
দুদক বলছে, ‘অবৈধভাবে’ চাকরি পাওয়া ছয়জন হলেন- রকিবুর রহমান খান (বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ), মো. তোফাজ্জল হোসেন (ভূমি প্রশাসনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস), হালিমা খাতুন (পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর), মো. মিল্টন আলী বিশ্বাস (সরকারি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক), নাহিদা বারিক (প্রশাসন ক্যাডার) এবং মো. খোরশেদ আলম (বাংলাদেশ পুলিশ ক্যাডার)।
তাদের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে ছয়টি মামলা অনুমোদন করেছে দুদক।