১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পরোয়ানার আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় অসন্তোষ ট্রাইব্যুনালের

গত বছরের ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ী এলাকায় ‘গুলিতে নিহত হন’ তাইম। নারায়ণগঞ্জ সরকারি আদমজী নগর এম ডব্লিউ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Jan 2025, 06:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:41 AM

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যাত্রাবাড়ীর ইমাম হাসান তাইম হত্যা মামলায় পরোয়ানাভুক্ত চার আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।  

গত বছরের ২০ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পুলিশের ‘গুলিতে নিহত হন’ তাইম। নারায়ণগঞ্জ সরকারি আদমজী নগর এম ডব্লিউ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বৃহস্পতিবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। 

“প্রসিকিউশনের পক্ষে আমি সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদনের অগ্রগতি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান।”

সুলতান মাহমুদ বলেন, তিনি আদালতকে বলেছেন-এ মামলার ভিকটিম ইমাম হাসান তাইমের ভাই রবিউল তাদের কাছে একটি অভিযোগ করেছেন যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির করার পরে আসামিদের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে পুলিশের বিভিন্ন সংস্থার কাছে গিয়েও সহযোগিতা পাননি।

“ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার তখন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে বলেন।”

মামলার অভিযোগে বলা হয়, “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে গত ২০ জুলাই দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল ছিল। ওই সময় তাইম তার দুই বন্ধুর সঙ্গে যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় চা খেতে যান। আন্দোলনকারীরা তখন সেখানে বিক্ষোভ করছিল। তখন ডিসি ইকবাল হোসেনের নির্দেশে বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড, রাবার বুলেট ও গুলি চালানো হয়।

“ওই সময় আন্দোলনকারীরা প্রাণভয়ে ছুটোছুটি শুরু করেন। তাইম ও তার দুই বন্ধু চায়ের দোকানে ঢুকে শাটার টেনে দেয়। কিন্তু শাটারের নিচের দিকে আধা হাত খোলা ছিল। সেখানে অবস্থানকারীদের পুলিশ টেনে বের করে। তখন সবার আগে দৌঁড় দিলে তাইমকে গুলি করা হয়। বিনা চিকিৎসায় তাইম সেখানেই মারা যান।”

সরকার পতনের পর গত ২০ অগাস্ট তাইমের মা পারভীন আক্তার এ মামলা দায়ের করেন।

সেখানে পুলিশের ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আবুল হাসানসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় সাবেক ওসি হাসনাকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর।

পুরনো খবর

গণহত্যা মামলা: যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি হাসান ট্রাইব্যুনালে

'গণহত্যা': ট্রাইব্যুনালে তোলা হচ্ছে মামুন-জিয়াউলসহ আরও ৮ আসামিকে

যাত্রাবাড়ীর সাবেক ওসি আবুল হাসান টেকনাফে গ্রেপ্তার

গণহত্যা মামলা: 'যাত্রাবাড়ীর থানার সাবেক ওসি হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদ