Published : 07 Sep 2025, 04:35 PM
ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনালের সামনের সড়ক প্রায় দুই ঘণ্টা পর ছেড়ে দিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা।
রোববার বেলা সোয়া ৩টার দিকে তারা সড়ক ছেড়ে দেন বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জিয়াউর রহমান।
এর আগে বেলা দেড়টার দিকে সড়কের দুইপাশে আড়াআড়ি করে বাস রেখে পরিবহন শ্রমিকরা সড়ক বন্ধ করে দেন; তাতে তীব্র যানজট দেখা দেয়।
ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, “আমরা পরিবহন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, মালিক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসেছিলাম। উভয়পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হলে তারা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।”
এর আগে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টার কথা জানিয়েছিলেন বনানী থানার ওসি রাসেল সারোয়ার।
সড়ক বন্ধ করে দেওয়ার কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, “ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তাকারী তিতুমীর কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে একতা পরিবহনের চালক-শ্রমিকদের সঙ্গে ঝামেলা হয়। এরপর চালক-শ্রমিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতনরা বৈঠকে বসেন।
“এর মধ্যে একতা পরিবহনের আরও ৭-৮টি বাস শিক্ষার্থীরা আটকে দেয়। এর জেরে চালক-শ্রমিকরা সড়কের দুইপাশেই যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।”
তারা মহাখালী রেলগেইট থেকে নাবিস্কো পর্যন্ত বিভিন্নস্থানে আড়াআড়ি করে বাস রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রেখেছিলেন।
ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক বন্ধ থাকায় বনানী থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। প্রায় দুই ঘণ্টা পর সড়ক ছাড়লেও সড়কে গাড়ির চাপ রয়ে গেছে।