Published : 09 Dec 2025, 08:12 PM
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
আট খণ্ডের এই প্রতিবেদনে কমিশনের সুপারিশ, জুলাই জাতীয় সনদের পাশাপাশি ঐকমত্য গঠনের প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহের দেওয়া মতামত, দল ও জোটগুলোর সঙ্গে আলোচনার সার সংক্ষেপ, কমিশনের অন্যান্য নথিপত্র ও কমিশন পরিচালিত জনমত জরিপের ফলাফলও রয়েছে।
প্রতিবেদনটির সব খণ্ড https://reform.gov.bd ঠিকানায় প্রকাশ করা হয়েছে মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ছাড়াও এর আগে ও পরে মোট ১১টি সংস্কার কমিশনের সব প্রতিবেদনও একই ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৪ সালের অক্টোবরে এবং পরবর্তী সময়ে মোট ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। প্রথম ধাপে গঠিত ছয়টি কমিশনের কার্যক্রম শেষ হওয়ার প্রাক্কালে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে সভাপতি এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজকে সহ-সভাপতি করে গঠন করা হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। বাকি পাঁচটি কমিশনের প্রধানদেরও এই কমিশনের সদস্য করা হয়।
তবে পরবর্তীতে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধানদের অপারগতার কারণে ওই দুই কমিশনের দুইজন জ্যেষ্ঠ সদস্যকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। এরপর রাজনৈতিক দলসমূহ ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে পর্যায়ক্রমিক আলোচনার মাধ্যমে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে চূড়ান্ত করা হয় ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’। পরে ১৭ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে সনদটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ইতোমধ্যে সরকার ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন (সংবিধান) আদেশ’ জারি করেছে।