২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
যে সরকার এসেছিল বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে, তারা বিদায় নিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিভাজনের রেখাটি টেনে দিয়ে! এই বিভাজনের রাজনীতি কি তবে অন্তর্বর্তী সরকারের অবধারিত নিয়তি ছিল?
প্রথম বৈঠকেই কমিশনের প্রস্তাব শুনে তাদের মনে হয়েছিল, ‘ডাল মে কুছ কালা হ্যায়’।
সরকারি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে পুরো জুলাই সনদ বাতিল করে দেবে, এটি যেমন কাঙ্ক্ষিত নয়, তেমনি গণভোটে হ্যাঁ জিতেছে মানে জুলাই সনদে যা আছে তার সবটুকু সংসদ মেনে নিতে বাধ্য—তাও নয়।
“আসুন বিবেককে জিজ্ঞাসা করি— এই সনদ যে পথরেখা দেখাচ্ছে, তার সঙ্গে আছি নাকি নাই,” বলেন তিনি।
“আমি কিছুটা হতাশ হয়েছি, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের এ অঙ্গীকারটুকু রক্ষা করেনি,” বলেন ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম।
প্রতিবেদনটির সব খণ্ড ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
যারা পড়তে জানেন না, তাদেরকে সংবিধানবিষয়ক জুলাই সনদের ‘মহা-বিসিএস পরীক্ষা’র প্রশ্নপত্রটি কে বা কারা পড়ে দেবেন এবং উত্তর দিতে সহযোগিতা করবেন?
উপদেষ্টা পদমর্যাদায় এ দায়িত্ব পালন করবেন তিনি; তাকে নিয়ে বিশেষ সহকারী হলেন নয়জন।