১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বইমেলায় নিয়মভঙ্গ: শোকজেই দায় সারা?

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতির সহসভাপতি শ্যামল পাল বলছেন, নীতিমালা লঙ্ঘন হয়, এমন কিছু হলে মেলা পরিচালনা কমিটির শক্ত অবস্থানে থাকা উচিত।

বইমেলায় নিয়মভঙ্গ: শোকজেই দায় সারা?

বইমেলার একটি স্টলে সাজিয়ে রাখা কম্পিউটার শেখার বিভিন্ন বই।

পাভেল রহমান পাভেল রহমান

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Feb 2024, 11:35 PM

Updated : 17 Feb 2024, 11:40 PM

নীতিমালা লঙ্ঘন করে একুশে বইমেলায় বিক্রি হচ্ছে গাইড বই। কোনো কোনো স্টলে আছে অংক, ইংরেজি ও কম্পিউটার শেখার বইও। ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে পাউরেটেড বইও বিক্রি করছেন কেউ কেউ। একই আইএসবিএন ব্যবহার করে একাধিক বই প্রকাশের ঘটনাও আছে।  

এসব দেখার জন্য বইমেলায় আছে টাস্কফোর্স কমিটি, তারা মাঝেমধ্যে মেলায় বিভিন্ন স্টলে ঢু মারছে। মেলা কমিটি কারণ দর্শানোর চিঠিও দিচ্ছে। কিন্তু কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে টাস্কফোর্স কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে, সেই প্রশ্ন উঠছে।  

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতির সহসভাপতি শ্যামল পাল বিডিনিউজ টোয়েন্টফোর ডটকমকে বলেন, "পাইরেটেড বই বিক্রি করার ব্যাপারে একেবারে জিরো টলারেন্সে থাকা উচিত। মেলার টাস্কফোর্স কমিটিতে তো আমাদের প্রকাশকদের প্রতিনিধিও আছেন। তারা এ বিষয়ে নিশ্চয় বলেছেন। নীতিমালা লঙ্ঘন হয়, এমন কিছু হলে মেলা পরিচালনা কমিটির শক্ত অবস্থানে থাকা উচিত।" 

জ্ঞান ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাতি গঠনের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিবছর আয়োজিত একুশে বইমেলা মূলত সৃজনশীল বা মননশীল বইয়ের উৎসব, এখানে গাইড বই কিংবা নেটবই, পাইরেটেড বই বিক্রি করার সুযোগ রাখা হয়নি। 

বইমেলার নীতিমালায় বলা আছে, “বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশকগণ গাইড ও গাইড জাতীয় এবং পাইরেটকৃত বই সংরক্ষণ, প্রদর্শন বা বিক্রয় করিতে পারিবেন না। 

"এই ধরনের কোনো বই কোনো স্টলে পাওয়া গেলে উক্ত স্টল তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করিয়া দেওয়া হইবে এবং ওই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে উক্ত বৎসর এবং পরবর্তী এক বৎসরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত করা হইবে।" 

নীতিমালার এই নির্দেশনার কার্যকর কোনো প্রয়োগ দেখা যায়নি মেলার সপ্তদশ দিন পর্যন্ত। 

মেলা ঘুরে দেখা যায়- ২০টির বেশি স্টলে নীতিমালা লঙ্ঘন হয়, এমন বই বিক্রি হচ্ছে। টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনেও ১২টি স্টলে নীতিমালা লঙ্ঘন হওয়ার কথা উঠে এসেছে। কিন্তু কোনো স্টল এখনও বন্ধ হয়নি, কালো তালিকাভুক্তির ঘোষণাও আসেনি। 

মেলা ঘুরে দেখা যায়- দোয়েল প্রকাশনীর স্টলে বিক্রি হচ্ছে ইংরেজি শব্দ শেখার বই, গণিত শেখার বই। অন্যদিকে সিসটেক পাবলিকেশনসের স্টলে বিক্রি হচ্ছে কম্পিউটার শেখার বিভিন্ন বই। 

দোয়েলের অফিশিয়াল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করলেও কেউ সাড়া দেননি। সিসটেকের ম্যানেজার আলতাফ হোসেন বলেছেন, “আমরা তো অনেক বছর ধরেই মেলায় অংশ নিচ্ছি। আমরা নীতিমালা লঙ্ঘন হওয়ার মত কিছু করছি না।” 

এবার বইমেলা শুরুর তৃতীয় দিনই টাস্কফোর্স কমিটি মাঠে নামে। মেলার বিভিন্ন অসংগতি রিপোর্ট আকারে জানায় মেলা পরিচালনা কমিটিকে। 

মেলার ষষ্ঠ দিন পাঁচটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শাও নোটিস দেয় মেলা কর্তৃপক্ষ। পাঁচটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সেই চিঠির জবাবও দিয়েছে। কিন্তু সেসব প্রকাশনার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, শনিবার পর্যন্ত তা জানাতে পারেনি মেলা পরিচালনা কমিটি।

এদিকে টাস্কফোর্স কমিটি গেল সপ্তাহে আরও একটি প্রতিবেদন দেয়, যার উপর ভিত্তি করে বৃহস্পতিবার আরও সাতটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকেও শোকজ করে চিঠি দেয় মেলা পরিচালনা কমিটি। 

সব মিলিয়ে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করার কথা জানিয়ে বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কে এম মুজাহিদুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমাদের টাস্কফোর্স মাঠে সরব আছে।" 

তবে নীতিমালা লঙ্ঘন হওয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা তিনি জানাতে পারেননি।  

টাস্কফোর্স কমিটির চারজন সদস্যের সঙ্গে কথা হয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের। তবে তারা কেউ নাম প্রকাশ করে বক্তব্য দিতে রাজি নন। তাদের ভাষ্য, মেলা পরিচালনা কমিটিই এ ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবে। 

টাস্কফোর্স কমিটির আহ্বায়ক হাসান কবীর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমরা যেসব ত্রুটি পেয়েছি, তা মেলা কমিটিকে জানিয়েছি। সেখানে নীতিমালা লঙ্ঘন হয়, এমন অনেক কিছুই আছে। এখন মেলা কমিটি সিদ্ধান্ত জানাবে।" 

টাস্কফোর্স কমিটির অসংগতিগুলো তুলে ধরে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করতে পারে, কিন্তু নিজেরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না বলে জানান তিনি। 

টাস্কফোর্স কমিটির কার্যাবলীতে বলা আছে, “নীতিমালা অনুযায়ী স্টল নির্মাণ, বই বিক্রি ও প্রদর্শন তদারকি এবং নীতিমালা লঙ্ঘনকারীর ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ প্রদান করা টাস্কফোর্স কমিটির কাজ।" 

কপিরাইট অফিস থেকেও একদিন মেলার মাঠে অভিযান পরিচালনা করা হয়। কয়েকটি স্টলে কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পেলেও সেসব প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। 

মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কে এম মুজাহিদুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "টাস্কফোর্স গোপনে বিভিন্ন স্টলে গিয়ে দেখছে, আবার টিম হয়েও প্রকাশ্যে গিয়ে দেখছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই আমরা ১২টি স্টলকে ইতোমধ্যে শোকজ করেছি। প্রথম দফায় যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করা হয়েছিল, তারা ব্যাখ্যা দিয়েছে। এ নিয়ে মেলা পরিচালনা কমিটির পরবর্তী সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে, কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা গণমাধ্যমে জানানো হবে।" 

টাস্কফোর্সের সুপারিশে যে ১২টি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করে চিঠি দিয়েছে মেলা কমিটি, সেসব প্রতিষ্ঠান হল- গাজী প্রকাশন (স্টল ৩৭৪-৩৭৫), বঙ্গজ প্রকাশন, (স্টল ৪০৭), কুঁড়েঘর প্রকাশনী (স্টল ৪০৩-৪০৪), তৃপ্তি প্রকাশ কুটির (স্টল ৩৭৬-৩৭৭), বাতিঘর প্রকাশনী (৪৫৫-৪৫৬), রাবেয়া বুকস (স্টল নং- ১৬১-১৬২), সম্প্রীতি প্রকাশ (স্টল নং- ১৬৮), মাইক্রোটেক পাবলিকেশন্স (স্টল নং- ১৬৯), মাহী প্রকাশনী (স্টল নং- ৩৪৯), বাংলাদেশ পাবলিশার্স (স্টল নং- ৭৫৪), সুপ্ত পাবলিকেশন্স (স্টল নং- ৭৫৩), কিংবদন্তী পাবলিকেশন (স্টল নং- ৫৩৪-৫৩৫)। 

বাতিঘর প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমাদের স্টলে কিছু বইয়ে আইএসবিএন নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছে। আমরা মেলা কমিটিকে ব্যাখ্যা দিয়েছি।" 

সকালটা শিশুদের, বিকেলে বেড়েছে সমাগম 

শনিবার ছিল বইমেলার সপ্তদশ দিন। মেলা শুরু হয় বেলা ১১টায় এবং চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। বেলা ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মেলায় ছিল শিশুপ্রহর। 

সকালে শিশুপ্রহরের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সিসিমপুর। এদিন বিভিন্ন জেলা শহর থেকেও অভিভাবক তাদের সন্তানকে নিয়ে বইমেলায় আসেন। শিশুদের উচ্ছ্বাসে মুখর থাকে মেলা প্রাঙ্গণ। বিকেল থেকে জনসমাগম বাড়তে থাকে মেলায়। সন্ধ্যায় ছিল উপচেপড়া ভিড়। 

মেলা পরিচালনা কমিটির জনসংযোগ বিভাগ জানায়, এদিন মেলার তথ্যকেন্দ্রে নতুন বই জমা পড়েছে ১৭১টি। 

এদিন লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন কবি শান্তা মারিয়া, কথাসাহিত্যিক এশরার লতিফ, শিশুসাহিত্যিক আহসান মালেক এবং প্রাবন্ধিক সুমন শামস। 

শিশু-কিশোর সংগীত প্রতিযোগিতা

সকাল ১০টায় বইমেলার মূলমঞ্চে শিশু-কিশোর সংগীত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব হয়। 

ক-শাখায় প্রথম হয়েছে নীলান্তী নীলাম্বরী তিতির, দ্বিতীয় হয়েছে রোদসী আদৃতা এবং তৃতীয় হয়েছে নৈঋতা ভৌমিক।

খ-শাখায় প্রথম হয়েছে তানজিম বিন তাজ প্রত্যয়, দ্বিতীয় হয়েছে সুরাইয়া আক্তার এবং তৃতীয় হয়েছে রোদসী নূর সিদ্দিকী।

গ-শাখায় প্রথম হয়েছে কে এম মুনিফ ফারহান দীপ্ত, দ্বিতীয় হয়েছে নবজিৎ সাহা এবং তৃতীয় হয়েছে সরকার একান্ত ঐতিহ্য।

বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন শেখ সাদী খান, মো. ইয়াকুব আলী খান ও চন্দনা মজুমদার। 

মূল মঞ্চ 

বিকাল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে হয় ‘স্মরণ: শহীদ সাবের’ এবং ‘স্মরণ: পান্না কায়সার’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যথাক্রমে মনির ইউসুফ এবং মামুন সিদ্দিকী। আলোচনায় অংশ নেন গিয়াস উদ্দিন, রতন সিদ্দিকী এবং শমী কায়সার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রামেন্দু মজুমদার। 

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি মিনার মনসুর, হাফিজ রশিদ খান ও আয়শা ঝর্না। আবৃত্তি পরিবেশন করেন গোলাম সারোয়ার ও রফিকুল ইসলাম।  

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পুঁথি পাঠ করেন কাব্য কামরুল। এছাড়াও ছিল আবিদা রহমান সেতুর পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বহ্নিশিখা’ এবং মঙ্গল চন্দ্র মণ্ডলের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বুলবুল ললিতকলা একাডেমী’-এর পরিবেশনা।  

সংগীত পরিবেশন করেন জীবন চৌধুরী, মীম বাউল, ঝর্ণা বিশ্বাস, ফারুক হোসেন, নাফিসা ইসলাম ফাইজা, অমিয় বাউল ও তামান্না নিগার তুলি। যন্ত্রাণুষঙ্গে ছিলেন তুলসী সাহা (তবলা), ডালিম কুমার বড়ুয়া (কী-বোর্ড), মো. আতিকুল ইসলাম (বাঁশি), অরূপ কুমার শীল (দোতারা) এবং আকাশ আহমেদ কবির (বাংলা ঢোল)।

বই সংলাপ ও রিকশাচিত্র মঞ্চের উদ্বোধন 

একুশে বইমেলা ২০২৪ আয়োজনের অংশ হিসেবে শনিবার প্রথমবারের মত সংযোজিত হল ‘বই-সংলাপ ও রিকশাচিত্র প্রদর্শন মঞ্চ’। 

বিকাল ৫টায় মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশের লেকসংলগ্ন মঞ্চে উদ্বোধন অনুষ্ঠান হয়। মঞ্চের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। 

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক আমিনুর রহমান সুলতান, আগামী প্রকাশনীর প্রকাশক ওসমান গণি, বাংলা একাডেমির সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. হাসান কবীর এবং বাংলা একাডেমির পরিচালকরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির কর্মকর্তা খালিদ মারুফ।  

মেলার জনসংযোগ বিভাগ জানায়, রোববার থেকে এই মঞ্চে প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে রিকশাচিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি মেলায় প্রকাশিত মানসম্পন্ন নির্বাচিত বই নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান চলবে। অনুষ্ঠানে প্রকাশকরা বইমেলার বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে নিয়মিত আলোচনায় অংশ নেবেন। এছাড়া বাংলা একাডেমি প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ বই বিষয়ে আলোচনা হবে। 

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নুরুল হুদা বলেন, এই প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের সৃষ্টিশীল অর্জনের সঙ্গে রিকশাচিত্রের অন্তর্ভুক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হল। 

রোববার যা থাকবে 

রোববার বইমেলার অষ্টাদশ দিন। মেলা শুরু হবে বিকেল ৩টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে হবে ‘স্মরণ: জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। 

প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন স্বরোচিষ সরকার। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন লুভা নাহিদ চৌধুরী এবং এম আবদুল আলীম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কামাল চৌধুরী।