Published : 21 Dec 2025, 09:07 PM
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার মূল সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।
রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনায়েদ এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের ডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, “গুপ্তচরের মাধ্যমে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে, এজাহারনামীয় পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ যেকোনো সময়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যেতে পারেন। এজন্য তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন।”
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গত ১৪ ডিসেম্বর পল্টন মডেল থানায় এ মামলা করেন।
এ মামলায় আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নয়জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আসামিরা হলেন- ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা মোসা. হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহযোগিতাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম।
জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
গত শুক্রবার গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি আক্রান্ত হন।
চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুলিটি লাগে হাদির মাথায়।
গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে তিন দিন রাখার পর সোমবার দুপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুরে বৃহস্পতিবার মারা যান হাদি।