Published : 28 Jul 2023, 01:36 PM
মাধ্যমিক পরীক্ষায় এ বছর ৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি; শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২ হাজার ৩৫৪টি।
গত বছর কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫০টি। আর ২ হাজার ৯৭৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিল।
সে হিসেবে শতভাগ পাসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার ৬২১টি কমেছে, সব পরীক্ষার্থী ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে দুটি।
| সাল | শতভাগ পাস (প্রতিষ্ঠান) | শতভাগ ফেল (প্রতিষ্ঠান) |
|---|---|---|
| ২০২৩ | ২,৩৫৪ | ৪৮ |
| ২০২২ | ২,৯৭৫ | ৫০ |
| ২০২১ | ৫,৪৯৪ | ১৮ |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সকালে ২০২৩ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন।
পরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের নানা দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
গতবছর শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে কর্মশালা করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়; এবারও সে রকম প্রচেষ্টা থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
শতভাগ ফেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, “শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশই, হয়ত সেখানে পরীক্ষা দিয়েছে ২ জন বা ৩ জন এবং এর অধিকাংশই হচ্ছে নন-এমপিও। কারণ, এমপিওভুক্তির হওয়ার জন্য কাম্য শিক্ষার্থী, কাম্য পরীক্ষার্থী থাকতে হয়।
“এদের জন্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই কম, সেই কারণেই এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগই এদের কোনো এমপিওভুক্তি নেই। এদের হয়ত পরীক্ষা দিয়েছে ২ জন, সেই ২ জন পাস করেনি। শতভাগ ফেলের জায়গায় পড়ে গেছে।”
এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সামনে এগিয়ে নিয়ে আসার প্রচেষ্টা শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলছি, তুমি একজনকে পরীক্ষা দেওয়াও বা পাঁচজনকে দেওয়াও, তারা যেন পাস করার মতো জায়গায় যেতে পারে, সেটা নিয়ে আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাদেরকে সহযোগিতা করবার প্রচেষ্টা নিয়েছি।
“এবারও অবশ্যই আমরা আবারও দেখব যে, এখানে কারা কারা এ রকম হলো। কারণ, আমাদের চেষ্টাটা হওয়া উচিত যে আমাদের এই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সমস্যা উত্তরণ ঘটিয়ে তারা যেন ভালো করতে পারে আগামীতে। আমাদের সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৮ জন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাচ্ছে।