Published : 14 Aug 2025, 10:58 PM
ঢাকার শেওড়াপাড়ায় এক গৃহবধূর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
ওই গৃহবধূর নাম ফাহমিদা তাহসিন কেয়া (২৫)। পশ্চিম শেওড়াপাড়ার শামীম সরণির ৫৮৩ নম্বর অনামিকা কনকর্ডে স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকতেন তিনি।
তার স্বামীর নাম সিফাত আলী, যিনি ঘটনার পর থেকে ‘পলাতক’ রয়েছেন।
কেয়ার বাবা রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, সিফাত আলী ‘পরিকল্পিতভাবে’ তার মেয়েকে ‘শ্বাসরোধ করে’ হত্যা করে পালিয়েছে।
পুলিশের মিরপুর জোনের সহকারী কমিশনার মো. মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা ‘ঘটনাস্থল’ থেকে লাশ উদ্ধার করিনি। পরিবারের সদস্যরা ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
“এটি আত্মহত্যা, নাকি হত্যা, সেটি নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে নিহতের স্বামীকে এখনও পাওয়া যায়নি। তাকে খুঁজে পাওয়া পেলে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কেয়ার বাবা বলেন, “রাত ২টার দিকে সিফাত আমার স্ত্রীকে ফোন করে বলে, ‘কেয়া খুবই অসুস্থ, আপনারা দ্রুত বাসায় আসেন’। কিছুক্ষণ পর বলে ‘ঢাকা মেডিকেলে আসেন’। এর কিছুক্ষণ পর বলে, ‘পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে আসেন’।
“আমরা বিআরবি হাসপাতালে গিয়ে কেয়াকে মৃত অবস্থায় পাই। ডাক্তাররা বলেছেন, সে অনেক আগেই মারা গেছে। হাসপাতাল থেকে সিফাত পালিয়ে যায়।”
তার ভাষ্য, সিফাত খুবই বদমেজাজি, সন্তানদের সামনেই তাকে প্রায়ই মারধর করত। কেয়ার চার সন্তানের মধ্যে এক মেয়ে ও তিন ছেলে।
এ বিষয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।