Published : 18 Jun 2026, 09:53 PM
দেশের ভূমি অফিসগুলোতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে দালালদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে বলেছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
বৃহস্পতিবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ কমিয়ে সব সেবা ‘উন্মুক্ত ও স্বচ্ছ’ প্রক্রিয়ার মধ্যে আনা হচ্ছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, ই-পর্চা ও ম্যাপ সিস্টেম, ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র, ভূমি অ্যাপ এবং অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আবেদন দাখিল ও সেবা ট্র্যাকিং করা হচ্ছে, বলেছেন ভূমিমন্ত্রী।
শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের বিভিন্ন আদালতে ভূমি সংক্রান্ত ২ লাখ ৮১ হাজার ৬৫৯টি মামলা বিচারাধীন ছিল।
তিনি বলেন, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তিতে ভূমি সালিশ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির হার প্রায় ৩৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
ফসলি জমি সুরক্ষা নিয়ে সরকারি দলের সদস্য মো. আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ফসলি জমির মাটি কাটা বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মাটি তোলার অপরাধে দুই থেকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
তিনি বলেন, মৌজা ও প্লটভিত্তিক জাতীয় ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে; প্রকল্পটি ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা।
ডিজিটাল ভূমি জোনিং শেষ হলে সারা দেশের ভূমি ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ১৮টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে, বলেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, এতে কৃষি, শিল্প, আবাসন ও সবুজ এলাকা চিহ্নিত করা সহজ হবে; কৃষিজমি সুরক্ষা এবং জাতীয় ও স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নও সহজ হবে।