১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কেরাণীগঞ্জে রূপালী ব্যাংকে সশস্ত্র ডাকাত, কর্মী-গ্রাহকরা ‘জিম্মি’

পুলিশ বলছে, ডাকাতদের অস্ত্র থাকার তথ্য তারা পেয়েছে; গোলাগুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Dec 2024, 05:55 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:09 AM

ঢাকার কেরাণীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকায় রূপালী ব্যাংকের জিনজিরা শাখায় ‘সশস্ত্র ডাকাত’ প্রবেশের খবর পেয়ে বাইরে থেকে চারপাশে ঘিরে রেখেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে একদল ডাকাত ভেতরে ঢুকলে ব্যাংকের গ্রাহক ও কর্মী মিলে অন্তত ১২ জন ভেতরে জিম্মি দশায় পড়েন।

পুলিশের কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ডাকাত পড়ার খবর পেয়ে প্রথমে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে ব্যাংকের গেইটে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে ব্যাংকের ওই শাখার চারপাশে অবস্থান নেয়। তারা আলোচনার মাধ্যমে ডাকাতদের আত্মসমর্পণ করানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এখনও ভেতরে ডাকাত আছে, আমরা বাইরে আছি। তাদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। আমরা আলোচনা করার চেষ্টা করে পরিস্থিতি সামালের চেষ্টা করছি।”

রূপালী ব্যাংকের ওই শাখার ভেতরে অন্তত তিনজন ডাকাত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আল আমিন।

তিনি বলেন, “তাদের কাছে অস্ত্র আছে বলে জানা গেছে। তবে কোন গোলাগুলি হয়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা ব্যাংকের পিওনকে দিয়ে খাবার চাচ্ছে।”

ব্যাংকে ডাকাত দলের হানা দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে উৎসুক জনতা ভিড় করে। ব্যাংকের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পুলিশ, র্যাব ও সেনা সদস্যরা তাদের বার বার দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। 

পাশের একটি মসজিদের মাইক থেকে ডাকাত দলকে আত্মসমর্পণ করার আহ্বান জানানো হয়। প্রয়োজনে যাতে ব্যাংকের ভেতরে অভিযান চালানো যায়, সেই প্রস্তুতিও নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

তবে ডাকাতদের দাবি দাওয়ার বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তারা। 

ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “আটক পড়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। এখনো কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ডাকাতরা সেইফ এক্সিট চাইছে।”