শহরে সাঁতার শেখাতে পোর্টেবল সুইমিংপুল

বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৪ হাজারের বেশি শিশুর পানিতে ডুবে মারা যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 25 July 2022, 04:29 PM
Updated : 25 July 2022, 04:29 PM

পানিতে ডুবে মৃত্যু কমাতে শিশুদের শেখাতে হবে সাঁতার, কিন্তু শহরে নেই তেমন জলাশয়, এই অবস্থায় পোর্টেবল সুইমিং পুলে শহুরে শিশুদের সাঁতার শেখানো শুরু করেছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিশ্ব পানিতে ডোবা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সোমবার ঢাকায় শিশু একাডেমির উদ্যোগে পোর্টেবল সুইমিং পুলে শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করে একথা জানান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা।

এই দিবসে ধরে বার্তায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ জানিয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৪ হাজারের বেশি শিশুর পানিতে ডুবে মারা যায়।

প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, পানিতে ডুবে মৃত্যু শিশুর সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় বাধা।

“বাংলাদেশে এই প্রথম সরকারিভাবে পোর্টেবল সুইমিং পুলে সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে, যার ফলে শহরের শিশুরা সহজেই সাঁতার শিখতে পারবে।”

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় শিশুর জীবন সুরক্ষায় সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে ৫ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রণালয় কর্মকর্তারা জানান, পোর্টেবল সুইমিং পুলগুলোর দৈর্ঘ্য হবে ৪০ ফুট, প্রস্থ ২০ ফুট। নিরাপত্তার জন্য চারদিকে ফেন্সিং থাকবে। পুলগুলো ৭২ হাজার লিটার পানি ধারণ ক্ষমতার, যা নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা হবে। শিশুদের সাঁতার শেখাতে ছয়জন প্রশিক্ষক থাকবে।

Also Read: দেশে পানিতে ডুবে বছরে ‘১৪ হাজার’ শিশুর মৃত্যু

সমন্বিত শিশু যত্ন কেন্দ্রের মাধ্যমে ‘শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশ ও সুরক্ষা, উন্নয়ন ও শিশুর সাতার প্রশিক্ষণ’ প্রকল্প থেকে ১৬টি জেলায় ৪৫টি উপজেলায় আরও ৩ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এর মাধ্যমে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী প্রতিমন্ত্রী।

শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চের উপনির্বাহী পরিচালক আমিনুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মহিউদ্দীন আহমেদ, অতিরক্ত সচিব মো. মুহিবুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয় ও দপ্তর সংস্থার কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক