Published : 27 Dec 2025, 11:01 AM
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি মাদ্রাসা ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন।
বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত হওয়া মাদ্রাসাটি থেকে বিস্ফোরকসহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের খবর জানিয়েছে পুলিশ।
হাসনাবাদের উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসাটিতে শুক্রবার দুপুরে এ বিস্ফোরণ ঘটে।
আহতরা হলেন- মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তার স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাদের তিন সন্তানের মধ্যে দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আব্দুল্লাহ (৭) আহত হয়েছে।
ঢাকা জেলার এসপি মিজানুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “একটা মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের পর কয়েকজন আহত হয়েছে। তেমন গুরুতর নয়। তবে সেখানে কিছু এক্সপ্লোসিভ পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সহ কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে।"
হাসনাবাদে একটি আবাসিক ভবনের তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালিত হত। পাশের একটি কক্ষে স্ত্রী সন্তানসহ তিন বছর ধরে ওই মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিন বাস করতেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একজন সাংবাদিক বলেন, মাদ্রাসায় ৫০ জনের মত শিক্ষার্থী আছে। তবে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
তিনি বলেন বিস্ফোরণে ভবনটির মাদ্রাসা অংশের দুটি কক্ষের দেয়াল ধসে পড়েছে। ছাদ ও কলামেও ফাটল দেখা গিয়েছে। এছাড়া ওই ভবনের পাশের আরেকটি ভবনেও ফাটল দেখা গেছে বলে সেই ভবনটির মালিক দাবি করেছেন।
মুফতি হারুন নামে একজন তিন বছর ধরে ওই বাড়ি ভাড়া নিয়ে মাদ্রাসাটি পরিচালনা করতেন। মুফতি হারুন পরে তার শ্যালক আল আমিনকে পরিচালনার দায়িত্ব দেন।
মাদ্রাসার আড়ালে সেখানে অন্য কিছু চলছিল কি না সে বিষয়ে কোন ধারণা নেই বলে জানিয়েছেন বাড়িন মালিক পারভীন বেগমভ
তিনি বলেন, তিনি শুক্রবার সেখানে গিয়ে দেখেন ভবনের ‘চারপাশ উড়ে গেছে’।
“পুলিশ ভবনের ভেতর থেকে কেমিক্যাল, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসপি মিজানুর রহমান বলেন, "আমরা এখনো শিওর না বিস্ফোরণটা কি করে হল। আমরা এখনো বিষয়টা নিয়ে কাজ করছি।"