Published : 02 May 2026, 11:15 PM
দেশে বিচারাধীন ৪০ লাখ মামলার তথ্য দিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, এর মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের প্রায় ৩ লাখ মামলা রয়েছে।
তিনি বলেন, ছোট ছোট প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতার কারণেই অনেক সময় বিচারকরা দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন করতে পারেন না। এসব সমস্যা সমাধানে বিচারকদের ক্ষমতায়ন এবং প্রশাসনিক সংস্কার করা প্রয়োজন।
‘বিচারকের সংখ্যা সীমিত হওয়ায়’ দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে এক সেমিনারে কথা বলছিলেন আইনমন্ত্রী।
আদালতে মামলার জট কমানোর উদ্যোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে মধ্যস্থতা কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে নতুন মামলা দায়েরের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যহারে কমবে বলে তার প্রত্যাশা।
বিচারকদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জুডিশিয়াল অ্যাকটিভিজম (বিচারিক সক্রিয়তা) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মামলা দীর্ঘায়িত করার প্রবণতা রোধে বিচারকদের আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
পাশাপাশি আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ উম্মে কুলসুম। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন, ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।