Published : 26 Oct 2025, 10:53 PM
প্রায় এক দশ আগে দায়ের করা একটি দুর্নীতির মামলায় আইএফআইসি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক লুৎফর রহমান বাদল খালাস পেয়েছেন।
ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবার এ রায় দিয়েছেন।
বাদলের আইনজীবী মো. বোরহান উদ্দীন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ২০১৭ সালে রমনা থানায় দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের করা ওই মামলায় বাদল ও তার স্ত্রী সোমা আলম রহমানের নামে থাকা সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৩০ অগাস্ট এই মামলায় তিনি স্থায়ী জামিন পান। এর এক বছর পর আদালতের রায়ে তিনি খালাস পেয়েছেন।
বোরহান উদ্দীন বলেন, ২০১৭ সালে দুদক লুৎফর রহমান বাদলকে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নোটিশ দেয়। ওই সময় তিনি দেশের বাইরে থাকায় তার স্ত্রী সোমা আলম রহমান সম্পদের বিবরণী আদালতে জমা দেন।
“এর আগের সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় মিথ্যা মামলা দিয়েছিল। তখন তিনি দেশে ফিরতে পারেননি পরিস্থিতি ভালো না থাকায়। এখন দেশে ফিরে এসে ন্যায়বিচার পেয়েছেন।”
লুৎফর রহমান বাদলের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা চলার তথ্য দিয়েছেন তার এই আইনজীবী।
২০১৭ সালের ২৭ মে রাজধানীর রমনা থানায় দুদকের উপ-পরিচালক শেখ আবদুস ছালামের করা দুর্নীতির মামলার এজাহারে বলা হয়, বাদলের ঘোষিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৩০ কোটি ২৭ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৬ টাকা। দুদকের অনুসন্ধানে তার মোট অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ পাওয়া যায় ১৩০ কোটি ২৯ লাখ ৫৬ হাজার ৭২৯ টাকার।
এতে তিনি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য বিবরণীতে ‘গোপন’ করেছেন।
এছাড়া লুৎফর রহমান বাদল ‘জ্ঞাত আয়বহির্ভূত’ ৫৯ কোটি ৭০ লাখ ৩৪ হাজার ২৯০ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।
লুৎফর রহমানের স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে ওই সময় দুদক বলেছিল, বনানী ডিওএইচএসে দুইটি ফ্ল্যাট, বারিধারা মডেল টাউনে সাত কাঠা জমির উপর তিনতলা বাড়ি, ধানমন্ডিতে একটি ফ্ল্যাট, মুন্সিগঞ্জে ১৪ কোটি টাকার বেশি মূল্যের একটি কোল্ড স্টোরেজ রয়েছে। এছাড়া ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তার এক কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৬০১ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে।
আগের খবর:
আইএফআইসি ব্যাংক থেকে বাদল অপসারিত
লুৎফর রহমান বাদলের স্ত্রীর বিরুদ্ধেও দুদকের মামলা