১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

কোনো ভুলে এ বিজয় যেন হাতছাড়া না হয়: মুহাম্মদ ইউনূস

“অনুগ্রহ করে নিজে শান্ত থাকুন এবং আপনার আশেপাশের সকলকে শান্ত থাকতে সহায়তা করুন,” বলেন তিনি।

কোনো ভুলে এ বিজয় যেন হাতছাড়া না হয়: মুহাম্মদ ইউনূস
ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Aug 2024, 05:38 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:13 PM

প্রবল গণআন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মধ্যে যে বিজয় অর্জিত হয়েছে- তা যাতে বেহাত না হয়, সেজন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেছেন, “আমি সাহসী ছাত্রদেরকে অভিনন্দন জানাই- যারা আমাদের দ্বিতীয় বিজয় দিবসকে বাস্তবে রূপ দিতে নেতৃত্ব দিয়েছে এবং অভিনন্দন জানাই দেশের আপামর জনসাধারণকে- যারা ছাত্রদের এই আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন। 

“আসুন, আমরা আমাদের এই নতুন বিজয়ের সর্বোত্তম সদ্ব্যব্যবহার নিশ্চিত করি। আমাদের কোনো প্রকার ভুলের কারণে আমাদের এই বিজয় যেন হাতছাড়া হয়ে না যায়।”

বুধবার ইউনূস সেন্টারের পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাল ধরতে যাওয়া অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমি সকলকে বর্তমান পরিস্থিতিতে শান্ত থাকতে এবং সব ধরনের সহিংসা এবং স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বিনষ্ট করা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানাচ্ছি এবং ছাত্র ও দলমত নির্বিশেষে সকলকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। 

“আমাদের প্রিয় এই সুন্দর ও বিপুল সম্ভাবনাপূর্ণ দেশটিকে আমাদের নিজেদের ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রক্ষা করা এবং একে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন আমাদের প্রধান কাজ।”

নতুন পৃথিবী বিনির্মাণে তরুণরা প্রস্তুত মন্তব্য করে তিনি বলেন, “অকারণ সহিংসতা করে এই সুযোগটি আমরা হারাতে পারি না। সহিংসতা আমাদের সকলেরই শত্রু। 

“অনুগ্রহ করে শত্রু সৃষ্টি করবেন না। সকলে শান্ত থাকুন এবং দেশ পুনর্গঠনে এগিয়ে আসুন। অনুগ্রহ করে নিজে শান্ত থাকুন এবং আপনার আশেপাশের সকলকে শান্ত থাকতে সহায়তা করুন।”

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাল ধরতে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশে ফিরছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস। দুবাই থেকে ফ্লাই এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে জানিয়েছেন ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোরশেদ।

মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার সিদ্ধান্ত হয়।