১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সাংবাদিক রোজিনার মামলায় পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে ৬ এপ্রিল

রোজিনার বিরুদ্ধে সরকারি নথি চুরির চেষ্টার অভিযোগে  করা এই মামলাটি অধিকতর তদন্তের দায়িত্বে আছে পিবিআই।

সাংবাদিক রোজিনার মামলায় পিবিআইকে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে ৬ এপ্রিল

সরকারি নথি ‘চুরির চেষ্টার’ অভিযোগে অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনের মামলায় ২০২১ সালে গ্রেপ্তার করা হয় প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে।

আদালত প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 28 Feb 2023, 04:42 PM

Updated : 06 Apr 2023, 08:38 PM

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস’ আইনের মামলায় আগামী ৬ এপ্রিল অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর এই তারিখ ঠিক করে দেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) এ মামলায় অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি মামলায় বাদীর আপত্তি শুনে তার নারাজি আবেদন মঞ্জুর করে পিবিআইকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন।

মামলার বাদী শিব্বির আহমেদ ওসমানী সেদিন বলেছিলেন, “আমরা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বক্তব্যে অসন্তুষ্ট। ফৌজদারি কার্যবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটির পুনঃতদন্ত বা অধিকতর তদন্ত হলে রোজিনা ইসলামকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।”

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনাকে এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ রেখে গত বছরের ১১ অক্টোবর হাকিম আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোর্শেদ আলম খান। আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের ‘সত্যতা’ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে তিনি আদালতকে জানান।

রোজিনা ২০২১ সালের ১৭ মে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে স্বাস্থ্য সচিবের পিএস সাইফুল ইসলামের কক্ষে তাকে আটকে ফেলে কর্মচারীরা। তারা অভিযোগ করেন, ওই কক্ষ থেকে সরকারি নথি সরানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

কয়েক ঘণ্টা ওই কক্ষে আটকে রাখার পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রোজিনা। পরে এই সাংবাদিক তাকে নির্যাতনের অভিযোগও করেছিলেন।

সেই রাতে রোজিনাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় শাহবাগ থানায়।

স্বাস্থ্য বিভাগ তখন ব্রিটিশ আমলের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ও দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারায় মামলা করে রোজিনার বিরুদ্ধে।

তবে রোজিনা ওই সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। আর তার সহকর্মীরা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘অনিয়ম-দুর্নীতি’ নিয়ে প্রতিবেদন করায় তাকে ‘হয়রানি’ করা হচ্ছে।

পরদিন আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় রোজিনাকে। দেশে-বিদেশে সাংবাদিকসহ অধিকারকর্মীদের ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে ছয় দিন পর জামিনে মুক্তি পান রোজিনা।

পুরনো খবর

পুরানো খবর:

সাংবাদিক রোজিনার বিরুদ্ধে মামলায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ

পুরানো খবর:

সাংবাদিক রোজিনার বিরুদ্ধে মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে

পুরানো খবর:

ছয় দিন পর কারামুক্ত সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম

পুরানো খবর:

সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম পেলেন ‘ফ্রি প্রেস অ্যাওয়ার্ড’