Published : 27 Feb 2026, 04:25 PM
নরসিংদীতে কিশোরীকে ‘দলবেঁধে ধর্ষণের’ পর হত্যাসহ সারাদেশে ধর্ষণ-নিপীড়নের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ভিসি চত্বর ঘুরে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।
এসময় বিক্ষোভকারীরা ‘তারেক রহমান, ধর্ষণ কর অবসান’, ‘আছিয়া থেকে নন্দিনী, ধর্ষকদের ভুলিনি’, ‘ধর্ষক আর স্বৈরাচার, মিলেমিশে একাকার’সহ বিভিন্ন বিপ্লবী স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ শেষে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন ডাকসুর নেতারা।
সমাবেশে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, “আর কোনো মা-বোনদের উপর যদি হামলা হয়, আমার মা-বোনদের যদি হেনস্তা করার হুমকি দেওয়া হয়, আর কোনো যদি ধর্ষণ হয়, ধর্ষণের পর যদি বিচার না হয় তাহলে আমরা আবার রাজপথে নেমে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলব।”
তিনি বলেন, “নির্বাচন পরবর্তী আমাদের আশা ছিল- যে সরকার আসবে, সে সরকার শুধুমাত্র একটি দলের হবে না, কোনো একক বর্গের হবে না, সকল মানুষের সকল দলের অধিকার নিশ্চিত করবে সেই সরকার।
“কিন্তু আমরা দেখতে পেয়েছি আজকে এই সরকার শপথ নেওয়ার পরে ১২ থেকে ১৩ দিন হচ্ছে, এই ১৩ দিনে তারা আমাদের এই দেশের নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারেনি। আমরা সাবধান করছি, এই খুনি হাসিনা এবং তার দোসরদের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করতে হবে “
সরকারপ্রধানের উদ্দেশে ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, “যদি ক্ষমতায় থাকতে চান, ভালোভাবে চালাইতে চান, এখনই এই চাঁদাবাজ এবং ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সিরিয়াস হন। যদি সিরিয়াস না হন এই যে ছাত্রদল থেকে শুরু করে স্থানীয় বিএনপি পর্যন্ত আপনার দলের প্রত্যেকটা পর্যায়ের লিডাররা চাঁদাবাজ এবং ধর্ষকদের যদি আশ্রয় দেয়, এই ঘটনা চলতে থাকলে এই চূড়ান্ত বিক্ষোভ, জনমনে যে বিক্ষোভ আপনারা লক্ষ্য করছেন, রাজু ভাস্কর্য থেকে এই বিক্ষোভ একদম তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে।”
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ডাকসুর এ জি এস মহিউদ্দিন খান, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ক্যাফেটেরিয়া ও কমনরুম বিষয়ক সম্পাদক উম্মে সালমা, সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের, কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দিন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।