Published : 27 Sep 2025, 08:46 PM
চাকরি পেতে দেশের তরুণ-তরুণীদের বড় একটা অংশ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সহায়তা চান বলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপে উঠে এসেছে।
সংস্থাটির শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ এর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৫ দশমিক ৮০ শতাংশ চাকরিপ্রার্থী বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনকে অনুরোধ জানান।
বিবিএসের হিসাবে, সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। ২৫ দশমিক ৮০ শতাংশ বেকার চাকরি খোঁজার জন্য সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনের সাহায্য নিয়েছেন।
আর চাকরির জন্য সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যান ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ প্রার্থী।
সরাসরি প্রতিষ্ঠানে বা চাকরিদাতার কাছে গিয়ে আবেদনের হার শহরেই বেশি।
এই হার গ্রামীণ এলাকায় ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং শহর এলাকায় ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
জরিপের ফল বলছে, ২০২৪ সাল শেষে দেশে ১৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ২৪ হাজার।
বেকারত্ব ও জনশক্তির হিসাব এতদিন ১৩তম আইসিএলএস (পরিসংখ্যানবিদদের আন্তর্জাতিক সম্মেলন) অনুযায়ী তৈরি করত বিবিএস। এখন বিবিএস সেটি ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ীও করে থাকে।
এ দুই পদ্ধতিতে কর্মে নিয়োজিত বিবেচনার ভিন্নতা থাকায় বেকারত্বের সংখ্যায়ও তারতম্য ঘটে।
১৩তম আইসিএলএস অনুযায়ী, বেকারের সংখ্যা আরও বেশি; ২০২৪ সালের শেষে দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৩০ হাজার।
১৩তম আইসিএলএস অনুযায়ী, কেউ যদি সবশেষ ৭ দিন কমপক্ষে ১ ঘণ্টা বেতন, মজুরি বা মুনাফার বিনিময়ে অথবা খানার নিজস্ব ভোগের জন্য উৎপাদনমূলক কাজ করে, তাকে কর্মে নিয়োজিত বলে বিবেচনা করা হয়।
অন্যদিকে যারা বিগত ৭ দিন সময়ে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা বেতন, মজুরি বা মুনাফার বিনিময়ে কাজ করেছে, তারাই ১৯তম গাইডলাইন অনুযায়ী কর্মে নিযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ নিজস্ব ভোগের পণ্য উৎপাদনকে এক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয় না।