Published : 06 Jul 2026, 02:25 PM
ভারতের দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এছাড়া সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস এসেছে।
সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
একইসঙ্গে ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট- এই ৬ বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে বুলেটিনে সতর্ক করা হয়েছে।
এর আগে রোববার বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার কারণে বৃষ্টি বাড়ার আভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, “এর ফলে বৃষ্টি বাড়বে৷ আগামী ১২ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।”
সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, ভারতের ওড়িশা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড ও তৎসংলগ্ন ওড়িশা এলাকায় ‘মৌসুমি স্থল নিম্নচাপ’ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
তিনি বলেন, এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। ফলে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারে, ২৪০ মিলিমিটার।