চলতি বছরও বিলম্বিত এলসি দায় পরিশোধ ৩৬৫ দিনে
তবে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণের আওতায় আমদানির ক্ষেত্রে এই সুবিধা মিলবে না।
বিলম্বিত এলসি (ঋণপত্র) খোলার ক্ষেত্রে এক বছরে আমদানি বিল পরিশোধের সুবিধা চলতি বছরও বহাল থাকবে।
সোমবার এ বিষয়ে সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ।
ব্যাংকে সাধারণত দুই ধরনের এলসি খোলা হয়। সাইট এলসি ও ডেফার্ড বা বিলম্বিত এলসি।
সাইট এলসির ক্ষেত্রে ব্যাংক রপ্তানিকারকের কাছ থেকে নথি পাওয়ার ৫ দিনের মধ্যে (যদি নথি ঠিক থাকে) আমদানির বিল পরিশোধ করতে হয়।
আর বিলম্বিত এলসির ক্ষেত্রে বিল পরিশোধে রপ্তানিকারকদের সঙ্গে চুক্তি করা হয়। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক সময় বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩৬৫ দিন করল।
তার আগে ১৮০ দিনের মধ্যে পরিশোধের বাধ্যবাধকতা ছিল।
সার্কুলারে বলা হয়, ‘ব্যাক টু ব্যাক’ আমদানি, কৃষি উপকরণ ও রাসায়নিক সার আমদানিসহ শিল্পের কাঁচামাল ‘সাপ্লায়ার্স ও বায়ার্স ক্রেডিটের’ আওতায় আমদানির ক্ষেত্রে বিলম্ব মূল্য পরিশোধ সীমা ১৮০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৩৬০ দিনে উন্নিত করা হয়েছে।
তবে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) ঋণের আওতায় আমদানির ক্ষেত্রে এই সুবিধা মিলবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধতন এক কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কোভিডের পর থেকে বিলম্বিত এলসির মেয়াদ ৩৬৫ দিন করা হয়।
আবার সেই মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
