‘সহযোগী স্কুলের’ সাফল্য ও উদ্ভাবনকে পুরস্কৃত করল ব্রিটিশ কাউন্সিল
দেশের প্রায় ২১০টি সহযোগী স্কুলের অধ্যক্ষ ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশের সহযোগী স্কুলগুলোর সাফল্য ও উদ্ভাবনের স্বীকৃতি দিয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।
রোববার ঢাকার শেরাটন হোটেলে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বার্ষিক অনুষ্ঠান ‘পার্টনার স্কুলস প্রিন্সিপালস’ মিট অনুষ্ঠানে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ২১০টির বেশি সহযোগী স্কুলের অধ্যক্ষ ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি এতে অংশগ্রহণ করেন। স্কুল ও শিক্ষকদের অবদানের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগী স্কুল নেটওয়ার্কের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
মূলত ছয়টি ক্যাটাগরির উপর ভিত্তি করে এ পুরষ্কার দেওয়া হয়ছে। এর মধ্যে রয়েছে- ক্লাইমেট অ্যাকশন, ডিজিটাল লার্নিং এক্সিলেন্স, ইক্যুয়ালিটি, ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন (ইডিআই), লিডারশিপ ইন টিচিং, সেফগার্ডিং এবং ওয়েলবিইং।
অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “সেরা স্কুলগুলোর অর্জনকে উদযাপন করতেই আমাদের আজকের আয়োজন। পুরস্কার প্রাপ্তিই বড় বিষয় নয়। আজ এখানে যারা উপস্থিত আছেন, আমি বিশ্বাস করি, এ নেটওয়ার্ক যে মানদণ্ড তৈরি করেছে, এজন্য আপনারা সবাই গর্বিত।”
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের মার্কেটিং প্রধান জুনায়েদ আহমেদ বলেন, “স্কুলগুলোর কাছে বর্তমানে যে বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে, সেটি তুলে ধরেছে এ বছরের অ্যাওয়ার্ড।”
অনুষ্ঠানে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট, পিয়ারসন এডেক্সেল ও অক্সফোর্ডএকিউয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
