Published : 18 Oct 2025, 10:30 PM
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে আগুনের ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
শাহজালালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্বে থাকা বিমান বাংলাদেশ পাঁচ দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলেছে।
শনিবার রাত ৯টার পরে বিমানের এক অফিস আদেশে এয়ারলাইনটির ফ্লাইট সেফটি বিভাগের পরিচালককে সভাপতি করে এ কমিটি করা হয়।
কমিটিতে রাখা হয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন প্রতিনিধি, বিমানের করপোরেট সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি বিভাগের জিএম, কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার, নিরাপত্তা বিভাগের ডিজিএম, কার্গো রপ্তানী বিভাগের ডিজিএম এবং ইন্স্যুরেন্স বিভাগের একজন ডিজিএমকে।
কমিটিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিতকরণ, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, অগ্নিকাণ্ডের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে সুপারিশমালা তৈরি করতে বলা হয়েছে।
গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার হিসেবে আমদানি-রপ্তানির মালামাল উড়োজাহাজে ওঠানামাসহ কার্গো হ্যান্ডেলিংয়ে যাবতীয় দায়িত্ব বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের।
এ দায়িত্বের অংশ হিসেবে আমদানী কার্গো কমপ্লেক্সে আগুনের ঘটনায় সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে বিমান।
শাহজালাল বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের যে অংশে কুরিয়ারের কাজকর্ম চলে, শনিবার বেলা সোয়া ২টার দিকে সেখানে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে কর্মীরা জানান।
ফায়ার সার্ভিসের ৩৬টি ইউনিট সেখানে আগুন নেভাতে কাজ করে। সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ, আনসার, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী সদস্যরাও যোগ দেন অগ্নি নির্বাপণের কাজে।
এই পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান এই বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়। বেলা সাড়ে ৩টা থেকে সেখানে ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকার তথ্য দেয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
অভ্যন্তরীণ ও বিদেশ থেকে যেসব ফ্লাইট ঢাকায় নামার কথা, সেগুলোকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে যেতে বলা হয়। ঢাকায় নামতে না পেরে অন্য বিমানবন্দরে চলে যায় এক ডজনের বেশি ফ্লাইট।
ভয়াবহ এ আগুনের পর প্রথমে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফিল্ড শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা বলা হলেও পরে তা রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়।