Published : 06 May 2026, 07:31 PM
বদলির প্রক্রিয়া তুলে ধরে নীতিমালায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীরা নিজ জেলায় বদলির আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় আবেদন করা যাবে। আবেদন করা যাবে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলে বদলির হওয়ারও।
একজন শিক্ষক কর্মজীবনে তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। প্রথম যোগদানের পর চাকরির দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষকরা বদলির যোগ্য হবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুই জন শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন। বদলির আবেদনে শিক্ষকরা তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। তবে এক বিষয়ে একজনের বেশি বদলির সুযোগ পাবেন না।
একটি শূন্যপদের জন্য একাধিক আবেদন পাওয়া গেলে নারী, জ্যেষ্ঠতা, স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল ও দূরত্ব বিবেচনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ হবে সর্বশেষ এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, এনটিআরসিএর নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমের আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষক বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
নীতিমালায় বলা আরও হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদলির আবেদন নিষ্পত্তি করবেন।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বদলির আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান বদলিকৃত শিক্ষকদের অবমুক্তি নিশ্চিত করবে। অবমুক্ত হওয়ার পর ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সুযোগে সন্তোষ, দ্রুত বদলি চালুর দাবি
প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানদের বদলির সুযোগ দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজীজী।
তিনি দ্রুত এ নীতিমালা বাস্তবায়ন করে শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন৷
কয়েকটি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সংগঠনের মোর্চা 'এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট'-এর সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকা এ শিক্ষক নেতা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানসহ সকল শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা জারি করায় মাননীয় মন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ। আমরা শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে কর্মচারী পর্যন্ত সবার বদলির সুযোগ দাবি করছি। কর্মচারীদের জন্যও বদলি চালু করার দাবি জানাচ্ছি।
"২০২৪ সালে প্রথম নীতিমালা জারি হয়েছিল, কিন্তু ২০২৬ সালে এসেও কোন শিক্ষক বদলি হতে পারেননি। তাই দ্রুত এ নীতিমালা বাস্তবায়ন করে শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করছি মন্ত্রণালয়ের কাছে।"