Published : 12 Jan 2026, 03:49 PM
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার শুনানিতে এসে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে বহনকারী প্রিজনভ্যানে ডিম নিক্ষেপ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
সোমবার দুপুরে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এসময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ‘লীগ ধর, জেলে ভর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
জুলাই আন্দোলনে ঢাকার মধ্য বাড্ডায় দুর্জয় আহম্মেদ হত্যাচেষ্টা মামলায় পলককে গ্রেপ্তার দেখাতে গত ২৪ ডিসেম্বর আবেদন করেন বাড্ডা থানার এসআই গোলাম কিবরিয়া খান। আদালত তার উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ৭ জানুয়ারি দিন রেখেছিলেন। তবে ওইদিন পলককে আদালতে হাজির করা হয়নি। এজন্য সোমবার নতুন দিন ঠিক করা হয়েছিল।
এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুর রহমান শুনানি নিয়ে পলককে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর সাবেক প্রতিমন্ত্রীকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

এদিনই ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালতে হাদি হত্যা মামলার শুনানির দিন ছিল। মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের আদালতে হাজির হন। অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য দুই দিনের সময় চান তিনি। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ঠিক করেন। এদিন হাদির ভাই ওমর হাদিও আদালতে আসেন।

শুনানি শেষে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা সিএমএম আদালতের সামনে ছিলেন। তারা জানতে পারেন, পলককে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
দুপুর দেড়টার দিকে পলককে নিয়ে একটি প্রিজনভ্যান কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশে আদালতের হাজতখানা থেকে বের হয়। সিএমএম আদালতের সামনে গাড়িটি এলে ডিম নিক্ষেপ করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এসময় তাদের বিভিন্ন স্লোগান দিতেও দেখা যায়। এ অবস্থায় পলককে নিয়ে প্রিজন ভ্যানটি কাশিমপুরের দিকে চলে যায়।
দুর্জয় হত্যাচেষ্টা মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০ জুলাই মধ্যবাড্ডার ইউলুপের নিচে দুর্জয় আহম্মেদের ওপর গুলি করা হয়। এতে তার দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া মাথায় পেছনে আঘাত লেগে গুরুতর আঘাত পান। কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
পরে এ ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্জয়।