Published : 05 Feb 2026, 12:15 AM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেইসবুক ও ইউটিউবসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ভোটের প্রচারের ব্যয়ের হিসাবও জমা দিতে হবে প্রার্থীদের।
ভোটের পর সামগ্রিক নির্বাচনি ব্যয়ের সঙ্গে এই খরচ অন্তর্ভুক্ত করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রার্থীরা যেসব প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ভোটের প্রচার চালাচ্ছেন, দিতে হবে সেসব তথ্যও।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অপপ্রচার রোধ ও নির্বাচনি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইসি এই পদক্ষেপ নিয়েছে।"
প্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের তথ্য ও ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে কমিশন মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠিয়েছে।
ইসি বলছে, কোনো প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট বা তাদের পক্ষে অন্য কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার চালাতে পারবেন। তবে ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী প্রচার শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট মাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ যাবতীয় শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করতে হবে।
একই বিধিমালা অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন দেওয়া পোস্ট বুস্টিং বা স্পন্সরশিপের পেছনে যে অর্থ ব্যয় হবে, তা প্রার্থীর সামগ্রিক নির্বাচনি ব্যয়ে অন্তর্ভুক্ত হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়।
এছাড়া ফল প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয় অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে।