Published : 28 Apr 2026, 04:31 PM
বাদীকে বিয়ে করে ধর্ষণ মামলায় জামিন পেয়েছেন সাইফুল ইসলাম নামের এক আসামি, যার আগের ঘরে তিন সন্তান রয়েছে।
মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিনের আদেশ দেন।
ধর্ষণের অভিযোগ এনে সাইফুলের বিরুদ্ধে গেল ২৫ জানুয়ারি ভাটারা থানায় মামলা করেন ৩৬ বছর বয়সি এক নারী। গত ৩১ মার্চ বারিধারা এলাকা থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম সবুজ বলেন, ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা। এজন্য দুইপক্ষ থেকে আপসের কথা হয়। অবশেষে ১০ লাখ টাকা দেহমোহরে বিয়ে করতে সম্মত হন সফিকুল।
এদিন মামলার দিন ধার্য ছিল। আসামিপক্ষ ও বাদীপক্ষ আদালতকে আপসের বিষয় জানায়। পরে আদালতে বসেই ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। আদালত আসামিকে তিন মাসের মধ্যে দেহমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এরপর পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আদেশ দেয়।
আইনজীবী শফিকুল ইসলাম সবুজ বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে একটা আপস হয়েছে। ১০ লাখ টাকা দেহমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে আদালত দেহমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে।”
সাইফুলের আগের সংসার থাকার কথা জানিয়ে সবুজ বলেন, “তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।”
বাদীপক্ষের আইনজীবী এম মিজানুর রহমান বলেন, “বাদী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। মামলাটা আপস হয়েছে। আসামির জামিন হয়েছে। তারা সংসার করতে চান।”
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাইফুল বিয়ের কথা বলে ওই নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। স্ত্রী পরিচয়ে ওই নারীকে ভাটারার নতুন বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া করে দেন সাইফুল। সেখানে গিয়ে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন তিনি। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই নারী। গত ১৩ জানুয়ারি বিয়ের আশ্বাসে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন সাইফুল।