Published : 25 May 2026, 10:20 PM
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে গবেষণার বরাতে এক মতবিনিময় সভায় উঠে এসেছে।
ইউনেস্কো-সমর্থিত উদ্যোগের আওতায় পরিচালিত তরুণদের এ গবেষণায় দেখা গেছে, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন, জীবিকা ও সাংস্কৃতিক চর্চা প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত হওয়ায় তারা 'বেশি ঝুঁকির' মধ্যে রয়েছেন।
গবেষকরা বলেছেন, "পরিবর্তিত পরিবেশগত বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে প্রচলিত পরিবেশভিত্তিক জ্ঞান এখনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু এসব জ্ঞানব্যবস্থা নিজেরাই ক্রমশ নানা চাপে পড়ছে।"
গবেষণা কার্যক্রম চালানো হয় ইউনেসকো, মালেয়া ফাউন্ডেশন এবং জাবারাং কল্যাণ সমিতির যৌথ উদ্যোগে। এই উদ্যোগের নাম,‘ ইয়ুথ অ্যাজ রিসার্চার্স (ইয়ার): ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ’।
গবেষণার ফল তুলে ধরতে সম্প্রতি চট্টগ্রামে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। এতে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দিন, ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান সুসান ভাইজ এবং চাকমা সার্কেলের প্রধান রাজা দেবাশীষ রায় উপস্থিত ছিলেন।
এই উদ্যোগের আওতায় আদিবাসী তরুণ গবেষকরা নিজ নিজ সম্প্রদায়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং অভিযোজন কৌশল নিয়ে কাজ করেন। তারা স্থানীয় অভিজ্ঞতা ও প্রচলিত পরিবেশভিত্তিক জ্ঞানকে বৃহত্তর জলবায়ু আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করার প্রচেষ্টা চালান।
পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা, ম্রো, ত্রিপুরা এবং তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের পাঁচটি তরুণ গবেষণা দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি দল মাঠভিত্তিক ও কমিউনিটিকেন্দ্রিক গবেষণার মাধ্যমে নিজ নিজ সম্প্রদায়ের ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুজনিত চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করে।