‘নগদে’ প্রশাসক নিয়োগ কেন অবৈধ নয়: হাই কোর্ট
গত ২১ অগাস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসে কর্মরত পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদারকে ‘নগদের’ প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস ‘নগদ’ এ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশাসক নিয়োগ কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।
মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান; সঙ্গে ছিলেন মোহাম্মদ নওশাদ জমির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
পরে মোস্তাফিজুর রহমান খান সাংবাদিকদের বলেন, ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদে প্রশাসক ও সহায়ক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
“এ বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে নগদের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম রিট আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট রুল জারি করেছেন।”
গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বদলে দেওয়ার ধারাবাহিকতায় ২১ অগাস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী এক বছরের জন্য ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন সেবা ‘নগদে’ প্রশাসক নিয়োগ দেয়।
প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসে কর্মরত পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদার।
এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক পদমর্যাদার এ প্রশাসককে সহায়তার জন্য নগদ ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে আরও ছয় কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়।
এদিন নগদের আগের পর্ষদও ভেঙে দেওয়া হয়।
মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে নগদ। পরে এই এমএফএস কোম্পানিকে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হয়। নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের পাঁচ বিদেশি উদ্যোক্তাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চাওয়ার দুই দিনের মাথায় নগদে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
তবে প্রশাসক নিয়োগকে স্বাগত জানানি নগদ এর সাবেক ও প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
