১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহজালালে ৮ কোটি টাকার বিদেশি সিগারেট ও ই-সিগারেট জব্দ

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানির প্রচেষ্টা হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে, বলেছে ঢাকা কাস্টমস।

শাহজালালে ৮ কোটি টাকার বিদেশি সিগারেট ও ই-সিগারেট জব্দ
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জব্দ বিদেশি সিগারেট।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Mar 2025, 12:49 AM

Updated : 10 Sep 2026, 12:35 PM

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আট কোটি টাকার শর্ত সাপেক্ষে আমদানিযোগ্য বিদেশি সিগারেট ও আমদানি নিষিদ্ধ ভেপ ফ্লেভার সমৃদ্ধ ই-সিগারেট জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ।

বুধবার রাতে সংস্থার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গেল সোমবার ও বুধবার শাহজালাল বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্স থেকে পৃথক তিনটি চালানে আসা এসব পণ্য আটক করা হয়।

এয়ারওয়ে বিল অনুযায়ী, পণ্য চালান তিনটির আমদানিকারক রাজধানীর পূর্ব শেওড়াপাড়া ‘ম্যাট বিজ ইন্টারন্যাশনাল’।

এসব চালানে ৩ লাখ ৩০ হাজার শলাকা ‘গোল্ড ফ্লেক' ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট এবং প্রায় ৩০০ লিটার ডেপ ফ্লেভার সমৃদ্ধ ১২ হাজার ৯৮০টি ই-সিগারেট আনা হয়েছে।

ঢাকা কাস্টমস বলেছে, এসব পণ্য আমদানি নিয়ন্ত্রিত ও নিষিদ্ধ হওয়ায় আটক করা হয়েছে।

এসব পণ্য আমদানি নীতিমালার পরিপন্থি এবং শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানির প্রচেষ্টা হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

তদন্ত করে কাস্টমস কর্মকর্তারা দেখেছেন, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এই চালানগুলোর জন্য কাস্টমসে কোন বিল অব এন্ট্রি ও শুল্কায়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বৈধ নথিপত্র জমা দেননি।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আইজিএম-এ ‘কনজাম্পশন পণ্য’ এবং ‘লিথিয়াম ব্যাটারি’ ঘোষণা দিয়ে শর্তসাপেক্ষে আমদানিযোগ্য বিদেশি সিগারেট ও নিষিদ্ধ ই-সিগারেট আমদানি করে শুল্ক ফাঁকির ‘অপচেষ্টা’ করেছে; যা ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪’-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ‘চোরাচালানের সামিল’ বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এ ঘটনায় আমদানিকারকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা এবং কাস্টমস আইনের অন্যান্য প্রযোজ্য ধারায় শুল্ক ফাঁকি মামলার কার্যক্রম চলমান থাকার তথ্য দিয়েছে ঢাকা কাস্টমস।