২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
“তামাক কোম্পানিগুলো মূলত তরুণদের টার্গেট করেই নতুন প্রজন্মের তামাকপণ্যকে নিরাপদ বা কম ক্ষতিকর হিসেবে প্রচার করছে, যা মোটেও সত্য নয়।”
বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়া থেকে শুরু করে ই-সিগারেট কিংবা জর্দা-গুল—প্রতিটি তামাকজাত পণ্যই মৃত্যুর কারণ। প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি আর লাখো মানুষের অকালমৃত্যুর এই চক্র থামাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কোনো বিকল্প নেই।
‘পাবলিক প্লেস’র সংজ্ঞাও সম্প্রসারিত করা হয়েছে।
প্রতিদিন ভেপের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে ২৫ থেকে ৪৯ বছরের ব্যক্তিদের মধ্যে। নারীদের মধ্যেও ভেপিংয়ের ব্যবহার বেড়েছে।
“২০টি ইলেকট্রনিক্স সিগারেট, ৪৯০টি লিকুইড রিফিল, ২৮০টি সিগারেট কাটিজ ও ৩০টি সিগারেট কয়েল জব্দ করা হয়।“
শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানির প্রচেষ্টা হয়েছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে, বলেছে ঢাকা কাস্টমস।
ই-সিগারেট সংশ্লিষ্ট সব পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধের প্রস্তাব করেছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।