Published : 18 Feb 2026, 04:48 PM
বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী যাতে তার লাগেজ পেয়ে যান, তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
তিনি বলেছেন, “ইতিমধ্যেই আমরা চেয়ারম্যান সাহেবের সঙ্গে কথা বলেছি এবং একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছি। বিশেষ করে প্রবাসীরা আসলে যাতে লাগেজের জন্য এক-দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয় এবং কোনো দুর্নীতির শিকার না হতে হয়, সেটি আমাদের লক্ষ্য।
“আমাদের পরিকল্পনা হলো একজন যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করতে করতেই যাতে তার লাগেজ—বেল্টে পেয়ে যান। সিভিল এভিয়েশনের সঙ্গে বসে আমরা এমন এক পরিবর্তন আনব, যাতে মানুষ একটি নতুন ভাইব পায়।”
বিএনপি সরকারের প্রথম দিন বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
জামালপুর-১ আসনের এমপি মিল্লাত বলেন, “আমরা তো পরিকল্পনা শুরু করেছি। শুধু টিকেটিং নয়, আমাদের সঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এবং সচিব সাহেবও আছেন।
“আমরা বিমানবন্দরকে এমনভাবে ঢেলে সাজাতে চাই, যাতে শুধু টিকেটিং নয়—সিন্ডিকেট তো রয়েছেই—লাগেজ হ্যান্ডেলিং থেকে শুরু করে প্রবাসী যাত্রীরা এসে যে ভোগান্তিতে পড়েন, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।”
টিকেট সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “আমি অনেক ক্ষেত্রে শুনেছি যে বিমান খালি যাচ্ছে, কিন্তু মানুষ টিকেট পাচ্ছে না। এগুলোর পেছনেও সিন্ডিকেট রয়েছে। আমরা কেবল দায়িত্ব গ্রহণ করলাম, তবে সমস্যাগুলো সম্পর্কে আমরা অবগত এবং এগুলো নিরসনে পরিকল্পনা তৈরি করেছি।
“খুব শীঘ্রই আপনারা একদম র্যাডিকাল না হলেও ধীরে ধীরে বড় পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আমরা চেষ্টা করব আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যেই যেন মানুষ পরিবর্তনের একটি আভাস পায়।”
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, “এখনো পুরো সেক্টর দুর্নীতিমুক্ত হয়নি, আর সেটি ঠিক করার জন্যই আমাদের চেষ্টা চলছে।
“আমরা এখন সচিব ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসব এবং আলোচনা করব। বিশেষ করে পর্যটন নিয়ে আমাদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা রয়েছে।”