১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

তারেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির ৪ মামলা বাতিলই থাকছে

২০০৪ সালের চাঁদাবাজির ঘটনা দেখিয়ে ২০০৭ সালে মামলাগুলো করেছিল তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Jan 2025, 12:23 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:28 PM

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা চাঁদাবাজির চারটি মামলা খারিজ করে যে রায় দিয়েছিল হাই কোর্ট, আপিল বিভাগেও তা বহাল রয়েছে।

হাই কোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ; রোববার শুনানি শেষে তা খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে চার বিচারকের আপিল বেঞ্চ।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। তারেক রহমানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, রুহুল কুদ্দুস কাজল ও কায়সার কামাল।

পরে কায়সার কামাল বলেন, “বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট কিছু মামলা দায়ের করা হয়েছিল; যে মামলায় এফআইআরে ওনার নামছিল না। 

“এর পরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং তারেক রহমানকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এবং রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে বিতর্কিত করার জন্য প্রধান নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে হাই কোর্ট ডিভিশন এ মামলাগুলো বাতিল করে দেয়।”

আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, “এ বাতিলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ মহামান্য আপিলেট ডিভিশনে গিয়েছিলেন। দুইপক্ষের পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল ডিসমিস (খারিজ) করা হয়েছে। 

“তার মানে দাঁড়াল- হাই কোর্ট ডিভিশন যে মামলাগুলো বাতিল করেছিল, তা বাতিলই থাকবে।”   

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা চাঁদাবাজির চারটি মামলা গত ২৩ অক্টোবর খারিজ করে দেয় বিচারপতি এ কে আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাই কোর্ট বেঞ্চ।

২০০৪ সালের চাঁদাবাজির ঘটনা দেখিয়ে ২০০৭ সালে ওই মামলাগুলো করেছিল তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

জরুরি অবস্থার ওই সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং তার বড় ছেলে তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে ২০০৮ সালে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে লন্ডনে চলে যান তারেক। এখনও তিনি সেখানেই আছেন।

আরও পড়ুন

তারেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির ৪ মামলা বাতিল