১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পলক-আতিক-সাদেক ফের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মহানগর হাকিম জি এম ফারহান ইসতিয়াক এ আদেশ দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Jan 2025, 02:37 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:38 AM

হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক এমপি সাদেক খান ও সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামকে জিজাসাবাদের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে ফের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

এই তিনজন ছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটির ২৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ সলুকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মহানগর হাকিম জি এম ফারহান ইসতিয়াক এ আদেশ দেন।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সকালে আসামিদের কড়া নিরাপত্তায় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। 

মোহাম্মদপুর থানার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় পলক, সাদেক এবং সলুর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

ওই তিনজনের পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।  এরপর আসামিদের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী ও তরিকুল ইসলাম তাদের রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেক আসামিকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। 

এই মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে গত বছরের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ২৬ বছর বয়সী ভ্যানচালক ইনছান আলী ভ্যান নিয়ে যাচ্ছিলেন। 

“পথে মামলার আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা হোসেন গত ১৩ নভেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় ২৬৬ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।"

ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র আতিককে উত্তরা পূর্ব থানার হত্যা মামলায় তিনদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

শুনানিতে আতিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামির আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। 

শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন নামঞ্জুর করে তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

এই মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৫ অগাস্টে সরকার পতনের দিন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন মো. ফজলুল করিম। 

“ওইদিন বিকালে আসামিদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। ওই রাতেই তাকে আইসিইউতে নেওয়ার পর ডাক্তার করিমকে তাকে মৃত ঘোষণা করে।"

এ ঘটনায় করিমের ভাই আনোয়ার হোসেন আয়নাল গত ২১ অগাস্টে উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় উত্তরের সাবেক মেয়র আতিককে আসামি করা হয়।