Published : 03 Nov 2025, 03:20 PM
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার দাবিতে সচিবালয় অভিমুখে শিক্ষকদের পদযাত্রা আটকে দিয়েছে পুলিশ।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দ্বিতীয় দিনের মত অবস্থানরত শিক্ষকরা সোমবার দুপুরে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন।
পল্টন মোড় ঘুরে তারা প্রেস ক্লাবের পাশের সড়ক দিয়ে সচিবালয়ের দিকে যাওয়া চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। সেখানে পুলিশ ও শিক্ষকরা মুখোমুখি অবস্থান করছেন।
‘ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে শিক্ষকরা এ কর্মসূচি চালাচ্ছেন।
পরিষদের সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মুনিমুল হক দুপুর সোয়া ২টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "আমরা এখানেই আপাতত অবস্থান করব। পুলিশ আমাদের অবস্থান কর্মসূচিতে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করছে।
"আমরা কিছুক্ষণ পর অবস্থান কর্মসূচিতে ফিরে যাব, সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"
রোববার থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আবারও লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন ‘দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়া’ ননএমপিও শিক্ষকরা।
মুনিমুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "বিগত রমজান মাসে আমরা ননএমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে ১৭ দিনের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছি। সেসময় মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষা সচিব মহোদয় শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় এমপিওভুক্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন।
“কিন্তু সে আশ্বাস আলোর মুখ দেখেনি। এদিকে বেতন-ভাতা না পাওয়া ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক কর্মচারীদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বেতন না পেয়ে আমরা আর্থিক সংকটে, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছি।”
তিনি বলেন, "সরকারকে এমপিও নীতিমালা ও পরিপত্রের অসম খেলা বন্ধ করে সকল ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার আহ্বান জানাই। তা না হলে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা দাবি আদায় করব।"
স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন শিক্ষকরা। ১৭ দিন অবস্থানের পর গত ১২ মার্চ তারা শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
এরপর পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক সেলিম মিয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস পাওয়ার কথা জানিয়ে কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেছিলেন।