১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়া থেকে পদত্যাগপত্র পাঠালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান

ক্যান্সারে আক্রান্ত শহীদুল্লাহ গত বছরের ২০ অগাস্ট থেকে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি শারীরিক অসুস্থতাকেই কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া থেকে পদত্যাগপত্র পাঠালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান
অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ। ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Aug 2024, 12:43 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:13 AM

গণবিক্ষোভে সরকারপতনের পর সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে পরিবর্তনের যে ঢেউ লেগেছে, তার ধারাবাহিকতায় এবার পদত্যাগ করলেন শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের পদ পাওয়া অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ।

রোববার সকালে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে ইউজিসি সচিব ফেরদৌস জামান জানান। 

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “স্যার শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন।”

মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধান বিচারপতি, বিচারপতি থেকে শুরু করে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বদানকারীদের পদত্যাগের হিড়িক পড়ে গেছে। 

২০১৯ সালের ২৬ মে ইউজিসির ত্রয়োদশ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন কাজী শহীদুল্লাহ। গত বছরের ২৮ মে তাকে দ্বিতীয় মেয়াদে ওই পদে রাখার আদেশ আসে।  

ক্যান্সারে আক্রান্ত শহীদুল্লাহ গত বছরের ২০ অগাস্ট থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। পদত্যাগপত্রেও তিনি শারীরিক অসুস্থতাকেই কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন বলে জানান সচিব ফেরদৌস জামান।

পদত্যাগপত্রে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ এবং বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তিনি কমিশনের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনে অপারগত হওয়ায় পদত্যাগ করছেন।

দ্বিতীয় মেয়াদে 'ইউজিসি'র চেয়ারম্যান অধ্যাপক শহীদুল্লাহ

ইউজিসির নতুন চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ

অধ্যাপক শহীদুল্লাহ ২০২২ সালে পাকস্থলির ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে অবস্থান করতে হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য কাজী শহিদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক হিসাবে শিক্ষকতা শুরু করেন। তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন অস্ট্রেলিয়া থেকে। ইতিহাস বিভাগের প্রধান, কলা অনুষদের ডিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্যও ছিলেন তিনি।