Published : 30 Apr 2026, 11:47 PM
ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিতদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলছে, প্রার্থীদের পাঁচজনের একজন কোনো না কোনোভাবে দায় বা ঋণগ্রস্ত।
বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত বিপুল সম্পদের পাশাপাশি এসব প্রার্থীর ঋণের চিত্র বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, ২০ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রার্থীই ‘কোনো না কোনোভাবে ঋণগ্রস্ত’।
“বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে ঋণগ্রস্ততার হার সমান, ২২ দশমিক ২২ শতাংশ।”
বৃহস্পতিবার সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জনের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১২ জন ও স্বতন্ত্র একজনকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
টিআইবি বলছে, ৪৯ প্রার্থীর মধ্যে ৩২ জনই স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মোট মূল্যমান অনুযায়ী কোটিপতি; অর্থাৎ কোটিপতি প্রায় ৬৫ শতাংশ।
“বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে ২৬ জন এবং জামায়াতে ইসলামীর নয়জন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন কোটিপতি। এ ছাড়া জাগপার একমাত্র প্রার্থীও কোটিপতি। প্রার্থীদের মধ্যে নিজ নামে কিংবা স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে ১০০ ভরির বেশি স্বর্ণালংকার আছে অন্তত তিনজন প্রার্থীর, যাদের একজন প্রার্থীর নিজের নামেই ৫০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কারের তথ্য পাওয়া গেছে।”
সংস্থাটি বলছে, “৬৩ শতাংশের বেশি প্রার্থী স্নাতকোত্তর বা তদূর্ধ্ব শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। তারা শিক্ষাগত যোগ্যতায় সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তুলনায় এগিয়ে আছেন।”
হলফনামার তথ্যে টিআইবি বলছে, সংরক্ষিত আসনের নারী প্রার্থীদের মধ্যে আইনজীবীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ২৬ দশমিক ৫ শতাংশ। এরপর ২২ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবসায়ী, গৃহিণী ১২ দশমিক ২ শতাংশ, শিক্ষক ১০ দশমিক ২ শতাংশ এবং সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রার্থী।
চিকিৎসক রয়েছেন ৪ দশমিক ১ শতাংশ, অন্যান্য পেশাজীবী ৪ দশমিক১ শতাংশ।
আরও পড়ুন-