Published : 21 May 2026, 01:41 PM
পবিত্র অজস্রতা
যে জবাবে আলোর আধিপত্যে বিভোর হৃদয়
নিস্বনে অধিকার করে তার মেঘমালা
ভিজিয়ে গেল এরা প্রশ্নের বনানী
উড়ালের গান থেকে বীজে বীজে
পবিত্র অজস্রতা প্লাবিত করে এই চোখ
ধীর এই ত্বকের প্রহরা গড়ে দিগন্তের ছায়া
ঘোরের সীমায় বিকীর্ণ স্বরেরা
বিপর্যস্ত নীড়ে পেল ঠাঁই।
স্রোতের নিরিখ
ফিরে আসে আদি পূণ্য।
বাদামী ডুব থেকে আসক্তির হৃদয়ে মিঠে হয়েছে
রেজিন অরণ্য
ভুলে যাবার জমাট ছায়া থেকে
জাগবে বলে বিক্ষেপ থেকে ফেরে
আদুল পা
অধিকার করে তাকে তৃণের বিস্তার —
যখন স্রোতের নিরিখে স্রোত
রেখার শিকার, নিঝুম পালক বাড়ে
আকাশের নিবিড় বিহারে,
আলোর প্রাচীর পার হয়ে বাড়ছে স্ফূরণ।
পাথরের গান
দোলাও পর্দাগুলো —
শিহরণে বিচ্যুত আলোর আঁচড়ে
আঁকা হচ্ছে অপেক্ষা, তার বৈভব
নিয়ে বেঁচে থাকছে আড়াল।
গুঞ্জন গড়ে তোলে পাতার ঝড় —
ঘূর্ণির তোড়কে নাকচ করে
শাখা ছড়িয়ে থাকছে কালচে সবুজ,
আলোড়িত শাখার ঈপ্সায় বিঁধে
ছড়ে যায় বাতাস — তার দেহকে জড়িয়ে নিলো
স্রোতে ধোয়া পাথরের গান
আর ঢলে পড়ল
এক জোড়া বোজা চোখ।