Published : 22 Jan 2026, 04:04 PM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারে কিছু ব্যক্তি ভোটারদের এনআইডি নিচ্ছে, এমন বিষয় নির্বাচন কমিশনের নজরে আসার কথা তুলে ধরে সব নাগরিক ও সংগঠনকে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে কমিশন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারের নামে ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হস্তান্তর না করার জন্য বলেছে নির্বাচন কমিশন-ইসি।
প্রার্থীর পক্ষ থেকে কারো এনআইডি নেওয়া নেওয়া হলে তা ‘শাস্তিযোগ্য অপরাধ’ বলেও সতর্ক করেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।
ভোটের প্রচার শুরুর দিনে বৃহস্পতিবার ‘নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাচন কমিশনের আহ্বান’ শীর্ষক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতার কথা বলেছে ইসি।
ঢাকা-১৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এ নিয়ে অভিযোগের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের তরফে আচরণবিধি অনুসরণের এই নির্দেশনা এলো।
জামায়াতের নারী কর্মীরা মিরপুর এলাকায় প্রচারের নামে বাসায় বাসায় গিয়ে ভোটারদের এনআইডি সংগ্রহ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি প্রার্থী।
ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারের আড়ালে কতিপয় ব্যক্তি ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহের বিষয়টি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে।
“জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন ২০১০ অনুযায়ী, অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বহন কিংবা হস্তান্তর করা যাবে না।”
‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ এর বিধি-৪ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী কিংবা তার পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনি এলাকায় বসবাসকারী ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানে কোনোপ্রকার চাঁদা, অনুদান বা উপহার দেওয়া বা প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না। এসব কার্যক্রম বিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
নির্বাচন কমিশন সব নাগরিক ও সংগঠনকে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। এদিন প্রার্থীদের ভোটের প্রচার শুরু হয়েছে, চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
আগের খবর:
প্রতীক বরাদ্দ: ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ