Published : 21 Jan 2026, 01:56 AM
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে লড়াইয়ে থাকছেন ১৯৬৭ প্রার্থী।
মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ২৯৮ আসনে সরে দাঁড়িয়েছেন ৩০৫ জন। বাকি দুই আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা প্রার্থীরা প্রতীক পাবেন বুধবার। পরদিন বৃহস্পতিবার থেকে তারা নেমে পড়বেন ভোটের প্রচারে।
এবার অর্ধশত দল ভোটে রয়েছে, আর অধিকাংশই দলীয় প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন শতাধিক।
নির্বাচন কমিশন বলছে, আচরণবিধি প্রতিপালনে শক্ত থাকবে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করতে সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রিটার্নিং অফিসারদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা রয়েছে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ও গণভোট হবে। মঙ্গলবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এ দিন পর্যন্ত ২৯৮ আসনে ৩০৫ জন প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী দাঁড়াল ১৯৬৭ জন।
সবশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ৩৪৭ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলেন, ভোটের লড়াইয়ে ছিলেন ১ হাজার ৮৯৬ জন।
কিন্তু পরে আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর প্রার্থী দাঁড়ায় ১৯৭০ জন।
এবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ২৯ ডিসেম্বর, নির্ধারিত সময়ে ৩০০ সংসদীয় আসনে ২৫৮৫ মনোনয়নপত্র জমা পড়ে।
৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলের পর বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১৮৫৮ জন।
রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়রি থেকে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়, ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬৩৯ জন আপিল করেন।
১০ জানুয়ারি থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়ে একটানা ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে।
এবার ৬৪৫ জন আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩১ জন; সোমবার পর্যন্ত মোট বৈধ প্রার্থী দাঁড়ায় ২২৮৯ জন।
অবশ্য পাবনা ১ ও পাবনা-২ আসনে আগে বৈধ হওয়া ১১ জন প্রার্থী (আগের তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা ১৩ জনের) এ তালিকা থেকে বাদ যাবে। ভোটের দিন একই রেখে এ দুই আসনে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনার আলোকে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী রোববার ছিল এই দুটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। সে দিন পাবনা-১ আসনে ৭টি ও পাবনা-২ আসনে ৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
এ দুই আসনে মনোনয়নপত্র বাছাই ১৯ জানুয়ারি, আপিল দায়ের ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৫ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৬ জানুয়ারি, আর প্রতীক বরাদ্দ হবে ২৭ জানুয়ারি।

প্রচারের শুরুতে কঠোর
প্রচার শুরুর আগে বিএনপির তরফে অভিযোগ করায় জামায়াত, খেলাফত মজলিশ, ইসলামী আন্দোলন ও এনসিপিকে সতর্ক করেছে ইসি।
জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চূড়ান্ত হল; বুধবার প্রতীক বরাদ্দ। এখন আচরণবিধি প্রতিপালনে দল, প্রার্থীর সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ভোটের প্রচারের নেমে পড়বেন।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “প্রচারণার নির্ধারিত সময়ে আগে তথা আগাম প্রচার না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। বিএনপির তরফ থেকে অভিযোগ ও ডকুমেন্ট পেয়ে চারটি দলকে সতর্ক করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, ভোটের মাঠে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরির পদক্ষেপ থাকবে।
“নির্বাচন প্রচারণা তুঙ্গে, আমাদের ২৪ ঘন্টা কাজ করতে হচ্ছে। প্রার্থীদের প্রচারণা যেন আচরণ বিধিপরিপন্থি যেন না হয়, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করছি। উৎসবমুখরভাবে শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য ব্যবস্থা করবো আমরা।”
সচিব বলেন, “ভোট যুদ্ধে একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতে পারে। কিন্তু কমিশন নিরপেক্ষভাবে দেখছে, কাউকে ছাড় দেয়নি ইসি।”
তিনি বলেন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিকের পাশাপাশি নির্বাচনী পরিবেশ অনুকূলে নানা পদক্ষেপেরে পাশাপাশি সবার সহযোগিতাও দরকার। ভোট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে বৈঠক রয়েছে।
এদিকে ভোটকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদর নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে ইসি সচিবালয়। জামায়াতের আমিরসহ সাত নেতা ও বিএনপি প্রার্থীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র সচিবকে বলা হয়েছে।

কী চ্যালেঞ্জ সামনে
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য আব্দুল আলীম বলেন, “আজ প্রত্যাহারের শেষ দিন, কাল প্রতীক বরাদ্দ। পরদিন থেকে লিফলেট, ফেস্টুন, ব্যানার নিয়ে প্রচারে নামবেন প্রার্থীরা। নির্বাচনের মূল আমেজ শুরু হবে।”
গত কয়েকদিন নির্বাচন কমিশন আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে শোকজ, জরিমানা ও কয়েকটা দলকে সতর্ক করছে।
“মোটামুটি শক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এসব আরও আগে নিলে ভালো হত। এমন পদক্ষেপ কমিশনকে অব্যাহত রাখতে হবে। আচরণবিধি ভঙ্গ করলেই আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে, মাঠটাকে সমান রাখা দরকার। এভাবে শক্ত ভূমিকা নেওয়ার পাশপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন অন্য দিকে না যায় নজর রাখতে হবে,” বলেন, আব্দুল আলীম।
এই নির্বাচন বিশ্লেষক বলছেন, ইসিকে আইনশৃঙ্খলা তদারকি ও পর্যালোচনা করতে হবে, যাতে শান্তিপূর্ণ থাকে। প্রচারের সময় সহিংসতা ঘটতে পারে, সে দিকে নজর রাখতে হবে।
“একটা ছোট ঘটনা ঘটলে যারা নির্বাচনকে ভন্ডুল করতে চায়, তারা ঢুকে পরিস্থিতি খারাপ করতে পারে। এসবই চ্যালেঞ্জ, ইসি চাইলে নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব।”
নির্বাচনী ব্যয় তদারকির প্রচেষ্টা, ভুল তথ্য ও অপতথ্য রোধে কমিশনের তৎপরতা চান এ বিশেষজ্ঞ।
১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করে এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিন পর্যন্ত এ দীর্ঘসময়ে আচরণবিধি প্রতিপালন নিয়ে দলগুলোর পরস্পরবিরোধী অভিযোগ ছিল, রিটার্নিং অফিসারও নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন।
তবে প্রচারের সময় চূড়ান্ত প্রার্থীদের আর কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
“আমি বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে কথা বলেছি-সবখানে ভোটের অনুকূল পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলেছি। নির্বাচনি আইন-বিধির ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব যেন না হয় সে বিষয়ে নজর রাখবে মাঠপ্রশাসন-পুলিশ,” বলেন তিনি।
অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো বলে দাবি করেন এ নির্বাচন কমিশনার।
এনসিপিসহ চার দলকে সতর্ক বার্তা দিল ইসি
১৩ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান লিখিত অভিযোগ দেন।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটভুক্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন (এখন জোটে নেই) এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তাদের বিভিন্ন নির্বাচনি আসনে নির্বাচনি প্রচার অব্যাহত রেখেছে। তফসিল অনুযায়ী ২১ জানুয়ারির আগে এ ধরনের নির্বাচনি প্রচার ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি ১৮ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৪৪খ অনুচ্ছেদের (৩ক) (ছ) বি দফার বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
অভিযোগে বলা হয়, “বিএনপি আচরণবিধি অনুসরণ করলেও আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলসমূহ যেভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছে, তা একদিকে নির্বাচনি আইনের লঙ্ঘন এবং অন্যদিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুণ্ন করছে। অথচ নির্বাচন কমিশন রহস্যজনকভাবে নির্লিপ্ত রয়েছে।”
সকল প্রার্থী যেন নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলে এবং ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বজায় থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানায় দলটি।
এ পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার জামায়াত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলণের আমির ও এনসিপির সভাপতিকে আগাম প্রচার থেকে বিরত থাকতে চিঠি দেয় ইসি সচিবালয়।
ইসির এমন চিঠির বিষয়ে দলগুলোর তরফে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি নির্বাচন কমিশনে এসে বিএনপির নামেও অভিযোগ করেছে।
ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি ‘সবার জন্য সমান সুযোগ’ তৈরিতে ইসির ভূমিকার সমালোচনাও করেছেন দলটির নেতারা।

‘এতগুলো দলের অংশগ্রহণ ইতিবাচক’
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, প্রতীক বরাদ্দ ও ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করার মধ্য দিয়ে নির্বাচন এখন শেষ ধাপে পৌঁছে গেছে। গত প্রায় এক থেকে দেড় মাসে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় গুরুতর কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘনের দৃষ্টান্ত তাদের চোখে পড়েনি।
“কোথাও কোথাও কথার কথা অভিযোগ এসেছে, কিন্তু বড় ধরনের সহিংসতা বা শৃঙ্খলাভঙ্গ হয়নি। সার্বিকভাবে নির্বাচনী পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক।”
দলগুলোর পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের দিকে ঝুঁকে যায়নি। সব দলের প্রতি সমান আচরণ করা হয়েছে। আমাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে মৌলিক কোনো অভিযোগ নেই, সম-আচরণ করছি; যদিও কোনো কোনো সিদ্ধান্তে কেউ কেউ অসন্তুষ্ট হতে পারেন।”
এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, এবারের নির্বাচনে অর্ধশত রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে। এত সংখ্যক দলের অংশগ্রহণ ইতিবাচক।
“বহু দল অংশ নিয়েছে এবং অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে। আমরা আশা করি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে, বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে—এটাই আমাদের বিশ্বাস।”
আগের ১২ নির্বাচনে যত দল ও প্রার্থী
>> ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৮টি দল অংশ নেয়। সেবার ৩৪৭ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পরদিন ১৮৯৬ প্রার্থী ছিল। কিন্তু পরে আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর দাঁড়ায় ১৯৭০ জন; তারমধ্যে দলীয় প্রার্থী ১৫৩৪ জন আর স্বতন্ত্র ৪৩৬ জন।
সবচেয়ে বেশি ছিল ২৬৬ জন প্রার্থী আওয়ামী লীগের। এরপরই ছিল জাতীয় পার্টি, তাদের প্রার্থী ২৬৫ জন।
>> একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিল ১ হাজার ৮৬১ জন। দল অংশ নেয় ৩৯টি। দলীয় প্রার্থী ১৭৩৩ জন; ১২৮ জন স্বতন্ত্র।
>> দশম সংসদ নির্বাচনে ১২টি দল অংশ নিয়েছিল। সেই নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে একজন করে প্রার্থী ছিল বলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বাকি ১৪৭ আসনে প্রার্থী ছিলেন ৩৯০ জন, এর মধ্যে স্বতন্ত্র ছিলেন ১০৪ জন।
>> দল নিবন্ধনের পদ্ধতি চালুর পর নবম সংসদ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ২৮টি দল; প্রার্থী ছিলেন ১৫৬৭ জন।
>> নিবন্ধন চালু হওয়ার আগে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ৫৫টি দল অংশ নেয়, প্রার্থী ছিলেন ১৯৩৯ জন।
>> সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ৮১টি দল অংশ নেয়, ২৫৭২ জন প্রার্থী ছিলেন।
>> ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে ১৪৫০ জন প্রার্থী ছিলেন, দল ছিল ৪২টি।
>> পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ২৭৮৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, দল ছিল ৭৫টি।
>> চতুর্থ সংসদ নির্বাচনে ৮টি দল অংশ নিয়েছিল, প্রার্থী ছিলেন ৯৭৭ জন।
>> তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫২৭ জন প্রার্থী ছিলেন, দল ছিল ২৮টি।
>> দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯টি দল অংশ নেয়, প্রার্থী ছিলেন ২১২৫ জন।
>> প্রথম সংসদ নির্বাচনে ১৪টি দল অংশ নেয়, ১০৯১ জন প্রার্থী ছিলেন।