Published : 11 Feb 2026, 01:37 PM
কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসনের নির্বাচনি সরঞ্জাম ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় সিলেট মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে ব্যালেট পেপার ও ব্যালেট বাক্সসহ অন্যান্য নির্বাচনি সামগ্রী বুঝিয়ে দেওয়া হয় দায়িত্বশীলদের কাছে।
প্রিজাইডিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সরঞ্জাম গ্রহণ করে নিজ নিজ কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন।
সিলেটের রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম বলেন, ‘‘সিলেটে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে, সুন্দর এবং সম্প্রীতি বজায় রেখে ভোট উৎসব সম্পন্ন হবে। আমরা চাই একটা নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ, ক্রেডিবল এবং ফেস্টিভ মুডের একটি নির্বাচন।
“মানুষ অনেকদিন পর যেভাবে নির্বাচন নিয়ে আনন্দিত হয়েছে, আমরা চাই ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন যেটা হবে; সেটা জাতির ইতিহাসে একটা স্মরণীয় নির্বাচন হবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমাদের কমিটমেন্ট একটাই জনগণ যাতে তাদের ভোটটা সুন্দর করে দিতে পারেন। কিন্তু কেউ কোনো ধরনের নির্বাচনি আইন ব্যত্যয় ঘটানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা কমিটেড যেকোনো মূল্যে জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য।’’
সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আলাউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট বিভাগের মোট ২ হাজার ৯৩৭টি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনি সরঞ্জাম বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। সিলেট সদর আসনের ২১৫টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১০৫টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বক্স ও নির্বাচনি সিলসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
বুধবার বিকালের মধ্যে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এই মালামাল প্রতিটি কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।’’
তিনি বলেন, “নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষে প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে তিনজন পুলিশ এবং ১৩ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রিজাইডিং কর্মকর্তার নিরাপত্তার জন্য একজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবেন।
“এছাড়া মাঠে সেনাবাহিনী, বিজিবি, স্ট্রাইকিং ফোর্স ও রিজার্ভ ফোর্স সক্রিয় থাকার পাশাপাশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’’
সিলেট জেলায় ছয়টি আসনে ১ হাজার ১৬টি ভোটকেন্দ্র ও ৫ হাজার ৭৮৭টি ভোটকক্ষ রয়েছে।
জেলায় মোট ভোটার ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৫৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৯৫৩, নারী ১৪ লাখ ১৭ হাজার ৬১০ এবং হিজড়া ভোটার ১৬ জন।