Published : 09 Feb 2023, 05:36 PM
ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর তিনদিন পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও লজিস্টিক জটিলতায় সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ত্রাণ পাঠানো সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে চতুর্থ দিন ত্রাণের প্রথম বহর সিরিয়ায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
তারা জানান, তুরস্ক থেকে ত্রাণ নিয়ে ছয়টি লরি ইদলিবের বাব আল-হওয়া সীমান্ত অতিক্রম করেছে।
গত সোমবার ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে তুরস্ক এবং প্রতিবেশী দেশে সিরিয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। দুই দেশ মিলিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৃত্যু ১৬ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলেই অন্তত এক হাজার ৯০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা দাতব্য সংস্থার কর্মীরা। তারা বলেন, এখনো শত শত পরিবার ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে।
যতই সময় গড়াচ্ছে, প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া পরিবারগুলোকে উদ্ধার করার আশা ততই স্তিমিত হয়ে আসছে। এমনকি যারা নিজের চেষ্টায় বের হয়ে আসতে পেরেছেন, তাদেরও বেঁচে থাকতে লড়াই করতে হচ্ছে।
কারণ, দীর্ঘ ১১ বছরের গৃহযুদ্ধে সিরিয়ার অবস্থা একেবারেই নাজুক হয়ে আছে। ভূমিকম্পের আগে থেকেই যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটির মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশের মানবিক সহায়তার দরকার ছিল।
ভূমিকম্প তাদের জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে এসেছে।
সিরিয়ার ভূমিকম্প দুর্গত এলাকার কিছু অংশ দেশটির সরকারি বাহিনীর দখলে। কিছু অংশ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে হওয়ায় সেখানে আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষে উদ্ধারকারী বাহিনী ও ত্রাণ পাঠানো বেশ জটিল।
ভূমিকম্প: ভাইকে বাঁচানোর চেষ্টায় ৩৬ ঘণ্টা আগলে রেখেছিল সিরীয় বোনটি