রাফার শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৭

হঠাৎ করে এ আক্রমণে রাফাজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকের আশঙ্কা, রাফায় স্থল হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল।

নিউজ ডেস্ক
Published : 12 Feb 2024, 04:41 AM
Updated : 12 Feb 2024, 04:41 AM

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিশ্বাসযোগ্য কোনো পরিকল্পনা ছাড়া ইসরায়েলকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় হামলা না চালানোর জন্য বলার পর সেখানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে দেশটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে রাফার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হামলা যখন শুরু হয় তখন অনেকেই ঘুমিয়ে ছিলেন। হামলায় ইসরায়েলি জঙ্গি বিমান, ট্যাংক ও যুদ্ধজাহাজ অংশ নেয়। ব্যাপক বোমা ও গোলা বর্ষণে দু’টি মসজিদ ও বেশ কয়েকটি বাড়ি গুড়িয়ে যায়।

হঠাৎ করে এ আক্রমণে রাফাজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েল রাফায় তাদের স্থল হামলা শুরু করে দিয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।   

সোমবার গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলের এ হামলায় ৬৭ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছে।   

একইদিন ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে তারা ‘পরপর বেশ কয়েকবার’ হামলা চালিয়েছে আর এখন সেটি ‘শেষ হয়েছে’; কিন্তু বিস্তারিত আর কিছু জানায়নি তারা।

Also Read: গাজায় নিহত ২৮ হাজারের বেশি, আহত সাড়ে ৬৭ হাজার

Also Read: রাফায় অভিযান চালালে জিম্মি মুক্তি হুমকিতে পড়বে: হামাসের হুঁশিয়ারি

এর আগে গাজার কোনো শহরে হামলা চালানোর আগে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট উদ্বাসন পরিকল্পনা ছাড়াই বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে রোববার বাইডেন বলেছিলেন, রাফায় আশ্রয় নিয়ে থাকা প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনির সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিশ্বাসযোগ্য কোনো পরিকল্পনা ছাড়া ইসরায়েলের উচিত হবে না সেখানে সামরিক অভিযান শুরু করা। 

আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থগুলো বলছে, রাফায় হামলা চালালে তা বিপর্যয়কর হতে পারে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ফিলিস্তিনি ছিটমহলটির শেষ তুলনামূলক নিরাপদ স্থান এই রাফা।

গাজায় চার মাস ধরে চলা ইসরায়েলের নির্মম হামলায় এ পর্যন্ত ২৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৬৭ হাজার ৬১১ জন আহত হয়েছে বলে শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।