Published : 14 Jul 2024, 12:28 PM
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নিকটজনরা জানিয়েছেন, রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট প্রার্থী তার ওপর হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কায় দীর্ঘদিন ধরেই শঙ্কিত ছিলেন।
ট্রাম্পের পরিবার ও বন্ধুরা এখনও এই হামলার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।
তবে হত্যা চেষ্টার পরেও পিছু হটেননি ট্রাম্প। আগামী সপ্তাহে ইউসকনসিন অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিলওয়াকিতে রিপাবলিকান পার্টির নির্ধারিত সম্মেলনে ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে। গুলিতে জখম হওয়ার পরও ট্রাম্প এই সম্মেলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়ার বাটলারের সমাবেশে হামলার ঘটনার পর তাকে বাটলার মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ট্রাম্পের পরিবার উপস্থিত ছিলো।
গুলির শব্দে সিক্রেট সার্ভিসের এজেন্টরা চারপাশ থেকে তাকে ঘিরে ধরেন। এরপর ট্রাম্প যখন আবার উঠে দাঁড়ান, তার কান থেকে গালের পাশ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।
আহত অবস্থায় উঠে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পকে মুষ্টিবদ্ধ হাত আকাশে ছুড়ে তিনবার,“ফাইট! ফাইট! ফাইট!” বলতে শোনা যায়।
তবে এ ধরনের হামলার আশঙ্কা তিনি দীর্ঘদিন ধরেই করছিলেন। তিনি তার জীবন নিয়ে শঙ্কিত ছিলেন। প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প সবসময় তার নিরাপত্তার বিষয়ে অতিমাত্রায় সচেতন ছিলেন বলে ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন।
২০১৫ সালের নভেম্বরে যখন তাকে প্রথম সিক্রেট সার্ভিস সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল তখন ট্রাম্প স্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন। তারপর প্রেসিডেন্টের পুরো মেয়াদজুড়ে এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবেও তিনি সিক্রেট সার্ভিসের সুরক্ষা পেয়ে আসছেন। এই সার্ভিসের নিরাপত্তা সুরক্ষায় তার দৃঢ় আস্থা ছিল।

কিন্তু তাদের সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থেকেও সম্ভবত ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেন ট্রাম্প। যে গুলি তার কান চিরে দিয়ে গিয়েছে সেটি আরেকটু হলে তার মাথায়ও লাগতে পারতো।
নির্বাচনি সভায় ট্রাম্পকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা
ভিডিও: ট্রাম্পের ওপর গুলির সেই মুহূর্ত
ট্রাম্পের গুলির ঘটনায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে যে প্রভাব পড়