১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আসাদ সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী ভেঙে দেওয়ার প্রত্যয় সিরিয়ার বিদ্রোহী নেতার

আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকের শাসনকালে সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম নিপীড়ক পুলিশি রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করেছে।

আসাদ সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী ভেঙে দেওয়ার প্রত্যয় সিরিয়ার বিদ্রোহী নেতার
দামেস্কের উমাইয়া মসজিদে জনতার ভিড়ের মধ্যে সিরীয় বিদ্রোহীদের প্রধান কমান্ডার আবু মোহাম্মদ আল জোলানি। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Dec 2024, 10:46 AM

Updated : 26 Aug 2026, 11:06 AM

প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করা সিরীয় বিদ্রোহীদের প্রধান কমান্ডার আবু মোহাম্মদ আল জোলানি বলেছেন, তিনি সাবেক সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকে ভেঙে দেবেন, তাদের কুখ্যাত কারাগারগুলো বন্ধ করবেন আর নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল তাদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করবেন। 

বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেছেন। 

রয়টার্স লিখেছে, আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকের শাসনকালে সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম নিপীড়ক পুলিশি রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করেছে। জোলানির নেতৃত্বাধীন আল কায়েদার সাবেক শাখা হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) এখন সিরিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী। জোলানিকে গত পাঁচ দশকে নির্যাতনের শিকার লোকজনের বিচারের দাবি এবং সহিংস প্রতিশোধ স্পৃহা প্রতিরোধ করার প্রয়োজনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য এনে আন্তর্জাতিক ত্রাণ নিশ্চিত করতে হবে । 

সিরীয়রা স্বজনদের খোঁজে দেশটির কুখ্যাত কারাগারগুলোতে ভিড় জমিয়েছে। আসাদ সরকার এসব কারগারে লাখ লাখ বন্দিকে আটক করে রেখেছিল বলে বিভিন্ন হিসাব বলছে। এসব বন্দির অনেকে জীবিত মুক্তি পেয়েছেন, অন্যদের মৃত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে এবং আরও কয়েক হাজারের কোনো খোঁজ এখনও মেলেনি।  

সিরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের টেলিগ্রাম চ্যানেলকে দেওয়া পৃথক এক বিবৃতিতে জোলানি বলেছেন, বন্দিদের নির্যাতন বা হত্যার সঙ্গে যেসব লোকজন জড়িত তাদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করা হবে, তাদের ক্ষমা করার প্রশ্নই আসে না। 

তিনি বলেন, “আমরা সিরিয়া থেকে তাদের খুঁজে বের করবো, যারা পালিয়ে গেছে তাদের ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য দেশগুলোকে বলবো যেন আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারি।” 

সিরিয়ার নতুন শাসকরা সহিংস প্রতিশোধ স্পৃহা ছড়িয়ে পড়া এড়িয়ে দেশটিকে স্থিতিশীল করতে পারেন কি না, তার দিকে সতর্কভাবে নজর রাখছে বিশ্ব।