১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার দিল্লির ৪টি হাসপাতালকে ইমেইলে বোমা হামলার হুমকি

মে মাসের শুরু থেকেই ভারতের শতাধিক স্কুল, হাসপাতাল এবং বিমানবন্দর বোমা হামলার হুমকি সম্বলিত ইমেইল পেয়েছে। যদিও তল্লাশি চালিয়ে কোথাও সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।

এবার দিল্লির ৪টি হাসপাতালকে ইমেইলে বোমা হামলার হুমকি
ছবি: এনডিটিভি

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Feb 2025, 04:13 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:35 AM

ভারতের রাজধানী দিল্লির অন্তত চারটি হাসপাতাল মঙ্গলবার সকালে ইমেইলে বোমা হামলার হুমকি পেয়েছে। মাত্র সপ্তাহ দুই আগে দিল্লিসহ ভারতের আরও কয়েকটি বড় বড় নগরীর বেশ কয়েকটি স্কুলে বোমা হামলার হুমকি নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল।

দুইদিন আগে দিল্লির আরও কয়েকটি হাসপাতাল একই ধরণের ইমেইল পেয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

যে চারটি হাসপাতাল মঙ্গলবার সকালে হুমকি পেয়েছে সেগুলো হলো:  জিটিবি হসপিটালের কাছের দিল্লি স্টেট ক্যান্সার ইন্সটিটিউট, ডাবরির দাদা দেভ হসপিটাল, হেডগেওয়ার হসপিটাল এবং দীপ চাঁদ বন্ধু হসপিটাল।

দিল্লি ফায়ার ডিপার্টমেন্ট থেকে বলা হয়, বোম স্কোয়াড এই চারটি হাসপাতাল প্রাঙ্গনে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। তাদের সঙ্গে প্রশিক্ষিত কুকুরও ছিল। প্রতিটি হাসপাতালের সামনে ফায়ার ইঞ্জিন এবং অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

হেডগেওয়ার হাসপাতালের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ভি কে শর্মা বলেন, “পুলিশ এবং বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড তল্লাশি চালাচ্ছে। আমরা নিজেরাও দ্বিতীয়বার তল্লাশি করেছি। এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি।”

এনডিটিভি জানায়, দিল্লি এবং ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিঅনে (এনসিআর) গত ১ মে প্রায় একশ স্কুল বোমা হামলার হুমকি সম্বলিত ইমেইল পাওয়ার কথা জানিয়েছে। ওই ইমেইল পাওয়ার পর স্কুল প্রশাসন এবং অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

তারপর গত ৬ মে আহমেদাবাদের ছয়টি স্কুলেকে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেইল পাঠানো হয়। এক কর্মকর্তা জানান, রাশিয়ার আইপি অ্যাড্রেসের সার্ভার থেকে ওই ইমেইলগুলো পাঠানো হয়েছে।

বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড স্কুলগুলোতে তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহ করার মত কিছু খুঁজে পায়নি।

গত রোববার দিল্লি বিমানবন্দর এবং বড় বড় কয়েকটি হাসপাতালসহ বেশ কিছু ঠিকানায় বোমা হামলার হুমকি দিয়ে একই ধরণের ইমেইল পাঠানো হয়। পরে বোঝা যায় সেগুলো ভুয়া হুমকি ছিল।

আর সোমবার জয়পুরের চারটি স্কুল একই ধরণের হুমকি পেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং বোম স্কোয়াড ও প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।